হিরে পরলে ধ্বংস হতে পারে জীবন, কারা পরবেন না? কারা পরবেন? সঠিক নিয়ম জেনে নিন
নিজস্ব সংবাদদাতা
১৩ মে ২০২৬ ১৮ : ২০
শেয়ার করুন
1
12
হিরে মানেই বিলাসিতা, চিরন্তন প্রেমের প্রতীক। জ্যোতিষমতে, এটি শুক্র গ্রহের অধীন৷ শুক্রের অধীনে রয়েছে প্রেম, সৌন্দর্য, ঐশ্বর্য, শিল্প, সৃজনশীলতা ও বৈষয়িক সুখ-সম্পদ। কুণ্ডলী মিলিয়ে সঠিকভাবে হিরে ধারণ করলে বদলে যায় ভাগ্য, এমনটাই বলেন জ্যোতিষীরা।
2
12
প্রেম ও সম্পর্কে উন্নতি: শুক্রগ্রহকে শক্তিশালী করে। হিরে দাম্পত্যজীবনে প্রেম, আকর্ষণ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ায় বলে বিশ্বাস। বিবাহিত জীবনে অশান্তি বা দূরত্ব থাকলে অনেকসময় হিরে ধারণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন জ্যোতিষীরা৷
3
12
ধন ও বৈষয়িক সুখ: শুক্র সমৃদ্ধি ও বৈভবের কারক গ্রহ। হিরে আর্থিক স্থিতি, কেরিয়ারে উন্নতি এবং নতুন সুযোগের পথ খুলে দেয়, অভিমত জ্যোতিষীর।
4
12
সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস: শিল্পী, লেখক, সংগীতজ্ঞ, বিনোদন-জগতের মানুষদের জন্য হিরে বিশেষভাবে উপকারী। সৃজনশীল কাজের বাধা কাটাতে সাহায্য করে।
5
12
উদ্বেগ, অস্থিরতা, অনাবশ্যক চিন্তা দূর করে মানসিক স্থিতি এবং শান্তি আনে হিরে। আয়ুর্বেদিক মতে, হিরে চর্মরোগ, ডায়াবেটিস, মূত্রনালীর সমস্যায় সহায়ক বলে গণ্য।
6
12
জ্যোতিষমতে বৃষ ও তুলা রাশি, যাঁদের অধিপতি গ্রহ শুক্র তাঁদের জন্য হিরে ধারণ করা অত্যন্ত শুভ৷ মকর ও কন্যা রাশিতেও উপকার পাওয়া যায়৷
7
12
মেষ, কর্কট, সিংহ ও বৃশ্চিক রাশির জন্য হিরে পরা শুভ নয় বলে মনে করেন জ্যোতিষীরা৷ দুর্বল শুক্র, ৬ষ্ঠ বা ১২তম ভাবে শুক্রের অবস্থান— এসব ক্ষেত্রে হীরে উপকারের বদলে ক্ষতিই করতে পারে।
8
12
জ্যোতিষমতে, ০.৫ থেকে ১.৫ ক্যারেট হিরে ধারণ করা শুভ৷ সোনা, প্ল্যাটিনাম বা রুপোর আংটিতে হিরে ধারণ করা শুভ৷
9
12
পুরুষরা ডান হাতের মধ্যমা বা অনামিকা এবং মহিলা বাঁ হাতের অনামিকায় হিরে পরুন। শুক্রবার ভোরে, শুক্ল পক্ষে— বিশেষত ভরণী, পূর্বফাল্গুনী বা পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্রে হিরে ধারণ করা শুভ৷
10
12
ধারণের আগে দুধ, মধু ও পবিত্র জলে ২০-৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর মন্ত্র জপ— “ওঁ দ্রাং দ্রীং দ্রৌং সঃ শুক্রায় নমঃ” ১০৮ বার।
11
12
সিন্থেটিক বা ল্যাব-গ্রোন হিরে নয়, প্রাকৃতিক হিরে সব থেকে ভাল৷ ভেতরে কালো বা সাদা দাগ থাকলে হিরে অশুভ ফল দেয়৷
12
12
জন্মছক বিচার ছাড়া হিরে পরা কখনও শুভ নয়। জ্যোতিষীদের মতে, হিরে শুক্রশক্তি বাড়ায়— কিন্তু সেই শক্তির সঙ্গে অহংকার ও বৈষয়িকতাও বাড়ে। তাই হিরে ধারণকারীকে দান, বিনয় ও কৃতজ্ঞতা বজায় রাখতে শাস্ত্র বিশেষভাবে নির্দেশ দেয়।