বিটরুট জুস এখন স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে এক জনপ্রিয় পানীয়। শরীরচর্চা, ওজন কমানো কিংবা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এর উপকারিতা নিয়ে প্রায়ই আলোচনা হয়।
2
9
কিন্তু সব ভালো জিনিস সকলের জন্য উপকারী নয়, জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। অতিরিক্ত বা ভুলভাবে বিটরুট জুস খেলে শরীরে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে।
3
9
বিটরুটে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট ও অক্সালেট থাকে। এই অক্সালেট শরীরে জমে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যাঁদের আগে থেকেই কিডনির সমস্যা রয়েছে। তাই কিডনি রোগীদের বিটরুট জুস খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
4
9
অনেকেই বিটরুট জুস খাওয়ার পরে প্রস্রাব বা পায়খানার রং লালচে হয়ে যেতে দেখেন। একে বলা হয় “বিটুরিয়া”। এটি সাধারণত ক্ষতিকর না হলেও প্রথমবার হলে অনেকেই ভয় পেয়ে যান।
5
9
অতিরিক্ত বিটরুট জুস খেলে পেট ফাঁপা, গ্যাস, পেট ব্যথা বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যাও হতে পারে। যাঁদের হজমশক্তি সংবেদনশীল, তাঁদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা যায়।
6
9
বিটরুট জুস রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তবে যাঁদের রক্তচাপ আগে থেকেই কম বা যারা ব্লাড প্রেসারের ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি বিপজ্জনকভাবে প্রেসার কমিয়ে দিতে পারে। ফলে মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা বা ক্লান্তি দেখা দিতে পারে।
7
9
গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত নাইট্রেট শরীরে ক্লান্তি, মাথাব্যথা বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের মত।
8
9
তবে এর মানে এই নয় যে বিটরুট জুস একেবারেই খাওয়া যাবে না। পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি শরীরের জন্য উপকারীই হতে পারে।
9
9
সাধারণত দিনে এক গ্লাসের বেশি না খাওয়াই ভাল।চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বিটরুট জুস খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।