বদলে গেল পশ্চিবঙ্গ-সহ দেশের সব রাজভবনের নাম। নয়া নাম হচ্ছে 'লোকভবন' বা 'লোকনিবাস'। ব্রিটিশ আমলে তৈরি ঐতিহ্যবাহী রাজভবন স্বাধীনতার আগে থেকে বর্তমান পর্যন্ত- ভারত এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী।
2
6
১৭৯৯ থেকে ১৮০৩ সালের মধ্যে নির্মিত এই ভবনটি প্রথমে গভর্নর-জেনারেলের বাসস্থান ছিল। পরে ভারতের স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের সরকারি বাসভবনে পরিণত হয়।
3
6
রাজভবনের স্থপতি ছিলেন চার্লস ওয়েট, যিনি ডার্বিশায়ারের কেডলস্টন হলের আদলে এটি নির্মাণ করেন। বিশাল ও জাঁকজমকপূর্ণ এই ভবন ব্রিটিশ স্থাপত্যশৈলীর এক চমৎকার উদাহরণ। ভবনটিতে এখনও ব্রিটিশ আমলের অনেক নিদর্শন যেমন 'পাখির খাঁচা, লিফট' রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ব্রিটিশ আমলের অনেক বিখ্যাত চিত্রকর্ম ও ঐতিহাসিক নিদর্শন।
4
6
কলকাতার রাজভবন শুধু একটি ভবন নয়, এটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে থাকা ভারতীয় ইতিহাসের একটি জীবন্ত প্রতীক।
5
6
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল রাজভবনে বাস করেন এবং এটি তাঁর সরকারি কার্যালয়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় এলে রাজভবনেই থাকেন।
6
6
ঔপনিবেশিক আমলের ছাপ সরাতে বাংলার রাজভবনের নতুন নাম হল 'লোক ভবন'। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের উদ্যোগে রাজভবনের নাম পাল্টেছে। রাজ্যপালের টুইটেই বলা হয়েছে, 'লোক ভবন হিসেবে কাজের ক্ষেত্র আরও বাড়বে; জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা মেটানোর জন্য রাজভবনের ভাবমূর্তি বদলানো প্রয়োজন ছিল।'