সর্দি-কাশির মরশুমে প্রধানন্ত্রীর ভরসা আয়ুর্বেদে, ঘরোয়া উপাদানে রোগ প্রতিরোধ করতে কী খান নরেন্দ্র মোদি? রইল রেসিপি
নিজস্ব সংবাদদাতা
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭ : ৪৩
শেয়ার করুন
1
8
আবহাওয়া বদলের সময় অনেকেরই সর্দি, কাশি, গলা খুসখুস বা জ্বর এর সমস্যা দেখা দেয়। এই সময়ে শরীরকে সুস্থ রাখতে খাবারদাবারের দিকে নজর দেওয়ার পাশাপাশি অনেকেই ঘরোয়া পানীয়ের উপর ভরসা করেন। তার মধ্যে অন্যতম হল বিভিন্ন ভেষজ ও মশলা দিয়ে তৈরি ক্বাথ।
2
8
করোনা পর্বেও ক্বাথ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। সেই সময় তুলসি, দারচিনি, গোলমরিচ, শুকনো আদা এবং কিশমিশ দিয়ে তৈরি হার্বাল চা বা ক্বাথের কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
3
8
এই ধরনের ক্বাথ তৈরি করতে খুব বেশি উপকরণের প্রয়োজন নেই। তুলসি পাতা, দারচিনি, গোলমরিচ, শুকনো আদা বা শুঁঠ, কিশমিশ, প্রয়োজন অনুযায়ী সামান্য গুড়, চাইলে অল্প লেবুর রস
4
8
প্রথমে একটি পাত্রে জল নিয়ে তুলসি পাতা ভালকরে ধুয়ে নেবেন৷ এরপর একটি পাত্রে পানীয় জল নিয়ে তার মধ্যে তুলসি, সামান্য দারচিনি, গোলমরিচ, শুকনো আদা এবং কয়েকটি কিশমিশ দিতে পারেন। কিছুক্ষণ ফুটিয়ে জলটা একটু কমে এলে ছেঁকে নিতে হবে। এরপর স্বাদ অনুযায়ী সামান্য গুড় বা লেবুর রস যোগ করা যেতে পারে।
5
8
তবে কতটা পরিমাণে কোন উপাদান ব্যবহার করবেন, তা নিজের শরীরের অবস্থা অনুযায়ী ঠিক করা উচিত। বিশেষ করে নিয়মিত ওষুধ খেলে বা কোনও শারীরিক সমস্যা থাকলে চিকিৎসক বা যোগ্য স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
6
8
তুলসি, আদা, দারচিনি ও গোলমরিচ—প্রতিটি উপাদানই ভারতীয় রান্নাঘরে বহুদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এগুলির মধ্যে থাকা বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান নিয়ে গবেষণাও হয়েছে। তবে ক্বাথ খেলেই যে সর্দি-কাশি বা কোনও সংক্রমণ সেরে যাবে, এমন দাবি করা যায় না।
7
8
আয়ুষ মন্ত্রকের নির্দেশিকাতেও এই পানীয়কে রোগ প্রতিরোধে সহায়ক বলা হয়েছে৷ ক্বাথ দিনে এক থেকে দু’বার খাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে এটি সবার জন্য একইভাবে প্রযোজ্য নয়। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক মানুষ, গর্ভবতী মহিলা বা যাঁরা নিয়মিত ওষুধ খান, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।
8
8
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, ক্বাথ কখনও চিকিৎসার বিকল্প নয়। সর্দি-কাশি বা গলা ব্যথার মতো সাধারণ সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে, জ্বর বাড়লে বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।