উত্তর প্রদেশের কাশীকে স্বয়ং দেবাদিদেব মহাদেবের শহর বলে মনে করা হয়। এই শহরটি হিন্দু ধর্মের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর। এখানেই অবস্থিত মণিকর্ণিকা ঘাট। বর্তমানে এই ঘাটের সংস্কারের কাজের কারণে চর্চায় রয়েছে এটি। জেনে নিন এই ঘাটকে ঘিরে তৈরি হওয়া কিংবদন্তি এবং নানা গল্প। ছবি- সংগৃহীত
2
5
মণিকর্ণিকা ঘাটকে মোক্ষদায়িনী ঘাট বা মহাশ্মশান বলা হয়ে থাকে। কথিত আছে, এই ঘাটের চিতা নাকি কখনও নেভে না। এই মহাশ্মশানের আগুনকে অখণ্ড অগ্নি বলা হয় তাই। বলা হয় মণিকর্ণিকা ঘাটের চিতার এই আগুন কাল, সময়ের বাইরে। জীবন, মরণের রহস্যকে বোঝায় এই আগুন। ছবি- সংগৃহীত
3
5
মনে করা হয় বেনারসে কেউ মারা গেলে এবং মণিকর্ণিকা ঘাটে তাঁর সৎকার করা হলে জীবন, মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি পেলে। মোক্ষলাভ করে আত্মা। তাই এই ঘাটে মানুষ ইচ্ছেপূর্তির জন্য আসে না, আসে শান্তির জন্য। ছবি- সংগৃহীত
4
5
কীভাবে, কবে এই মণিকর্ণিকা ঘাট তৈরি হয়েছিল সেটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে জনশ্রুতি অনুযায়ী এখানে দেবী সতীর কানের মণি বা দুল পড়েছিল। তাই সেখান থেকে নাম হয় মণিকর্ণিকা। পৌরাণিক গল্প অনুযায়ী দেবী পার্বতী এই ঘাটকে শাপ দিয়েছিলেন, তাই এখানে সবসময় চিতা জ্বলে। ছবি- সংগৃহীত
5
5
বর্তমানে এই কাশী ঘাটকে সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হচ্ছে। জানানো হয়েছে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে এর পুনর্নির্মাণ করা হবে। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে প্রাচীন স্থাপত্য, শিল্পের যেভাবে ক্ষতি হল বা হচ্ছে তা নিয়ে সরব সচেতন মহল। ছবি- সংগৃহীত