ভারতীয় নাগরিকরা নতুন গ্যাসের সংযোগ যখন নেন তখন গ্রাহকদের কাছ থেকে গ্যাস সংস্থাগুলি সিলিন্ডার এবং রেগুলেটরের জন্য একটি নির্দিষ্ট টাকা সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে নেয়।
2
11
এই টাকা ফেরতযোগ্য। অনেকেই সেটা ভুলে যান। কোনও গ্রাহক যদি এলপিজি সংযোগ সারেন্ডার করেন তাহলে বা বন্ধ করে দিলে সিলিন্ডার এবং রেগুলেটর ফেরত দিলেই জমা রাখা টাকা ফেরত পাওয়া যায়।
3
11
অনেকেই এই টাকা ফেরতের দাবি করেন না, তাই সংস্থার কাছেই তা পড়ে থাকে বছরের পর বছর ধরে। কিছু সহজ নিয়ম মানলেই এই টাকা ফেরত পাওয়া যেতে পারে।
4
11
এক একজন গ্রাহকের সিকিউরিটি ডিপোজিটের পরিমাণ এক এক রকম। সবার সমান হয় না। এলপিজি সংযোগ বন্ধ করে দিলে কীভাবে টাকা ফেরত পাবেন?
5
11
গ্যাসের সংযোগ নেওয়ার সময় সংস্থার তরফ থেকে একটি সাবস্ক্রিপশন ভাউচার দেওয়া হয়। সেই নথিতেই লেখা থাকে কত টাকা সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে নেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী রিফান্ড দেওয়া হয়।
6
11
যদি সাবস্ক্রিপশন ভাউচার হারিয়ে যায় তাহলে চিন্তার কিছু নেই। গ্যাস এজেন্সির কাছে গ্রাহকের তথ্য সংরক্ষিত থাকে। প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে এবং পরিচয়পত্র যাচাই করে রিফান্ডের আবেদন করতে পারবেন।
7
11
আগে নগদ টাকা দেওয়া হলেও, বর্তমানে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়। এর জন্য এলপিজির তথ্যের সঙ্গে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের তথ্য আপডেট থাকা জরুরি। সিলিন্ডার জমা দেওয়ার সময় গ্যাস অবশিষ্ট থাকলে সেই পরিমাণ গ্যাসের দামও ফেরত দেওয়া হয়।
8
11
যদি কোনও ব্যক্তি এমন শহরে স্থানান্তরিত হন যেখানে তাঁর বর্তমান গ্যাস সংস্থা পরিষেবা প্রদান করে না, তাহলে তিনি সংযোগ বন্ধ করে একটি টার্মিনেশন ভাউচার সংগ্রহ করতে পারেন। এটি সংগ্রহ করার পরে নতুন শহরে নতুন সংযোগ নেওয়া যায়। পুরনো সংযোগের সিকিউরিটি ডিপোজিটের নিষ্পত্তি করা যায় সহজেই।
9
11
পাঁচ কেজির ছোট এলপিজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে রিফান্ডের পরিমাণ ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। ছোট সিলিন্ডার সারেন্ডার করার বহু বছর পরেও রিফান্ডের আবেদন করা যায়। রেগুলেটরের টাকাও আলাদাভাবে ফেরত পাওয়া যায়।
10
11
ঘরোয়া ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে সিকিউরিটি ডিপোজিটের পরিমাণ ১২৫০, ১৪৫০, ২০০০ এবং ২২০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। নির্ভর করছে গ্রাহক কোন সময় সংযোগ নিয়েছিলেন এবং কত টাকা সিকিউরিটি ডিপোজিট দিয়েছিলেন। রেগুলেটরের ক্ষেত্রে ডিপোজিটের পরিমাণ ১৫০-২৫০ টাকা হতে পারে। যা ফেরতযোগ্য।
11
11
রিফান্ডের জন্য সাবস্ক্রিপশন ভাউচার, পরিচয়পত্র এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য মনে রাখুন। যদি মনে না থাকে বা নথি হারিয়ে যায় তাহলে গ্যাস এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে রেকর্ড যাচাই করুন। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিলেই টাকা ঢুকে যাবে অ্যাকাউন্টে।