গ্যাসের দাম কি কমতে চলেছে? গত কয়েক মাস পর বড়সড় পদক্ষেপ করতে পারে মোদি সরকার! যার জন্য মুখিয়ে আছে আমজনতা।
2
14
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ভারতে অপরিশোধিত তেলের আমদানি বেড়েছে। গত মার্চ ও এপ্রিলের তুলনায়, মে মাসে বেড়েছে এলপিজি আমদানির হার।
3
14
জানা গেছে, হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ থাকাকালীন গত মার্চ ও এপ্রিল মাসে ভারতে প্রতিদিন ৪.৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের আমদানি হত।
4
14
মে মাসে সেই হার বেড়েছে। গত মাসে ভারতে প্রতিদিন ৪.৯ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের আমদানি হয়েছে।
5
14
যদিও এখনও তা কম বলেই জানিয়েছে ওয়াকিবহাল মহল। গত ফেব্রুয়ারি মাসে, পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতা শুরুর আগে প্রতিদিন ৫.২ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের সঙ্গে আমদানি হত ভারতে।
6
14
যা থেকেই স্পষ্ট, ভারতে অপরিশোধিত তেলের আমদানি এখনও স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরেনি। তবে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরুর পর যে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের পথেই হাঁটছে।
7
14
এর কারণ? ভারতে সবচেয়ে বেশি অপরিশোধিত তেলের আমদানি হত রাশিয়া থেকে। পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার আবহে রাশিয়া থেকে আমদানি বেড়েছে।
8
14
ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার আবহেও যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। একটানা অপরিশোধিত তেলের আমদানি হয়েছে ভারতে।
9
14
হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের জাহাজ চলাচল বাধা আসতেই, এলপিজি সরবরাহেও ভোগান্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। তবে আমেরিকা সেই ঘাটতি পূরণ করেছে।
10
14
পাশাপাশি কাতার থেকেও এলএনজি-র আমদানি কমেছে ভারতে। তবে সেই ঘাটতিও খানিকটা পূরণ করেছে আমেরিকা, নাইজেরিয়া, ওমান।
11
14
এলপিজির সঙ্কট রুখতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ করেছে ভারত। যেভাবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার পথে এগোচ্ছে, সাধারণ মানুষের মনেও আশা জাগছে, হয়তো আর কয়েক মাসেই গ্যাসের দাম কমতে পারে।
12
14
একনজরে দেখে নিন, জুন মাসে ১৪ কেজি রান্নার গ্যাসের দাম কোন শহরে কত-
কলকাতায় ১৪ কেজি রান্নার গ্যাসের দাম ৯৩৯ টাকা। দিল্লিতে ৯১৩ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ৯১৫.৫ টাকা, হায়দরাবাদে ৯৬৫ টাকা, মুম্বইয়ে ৯১২.৫ টাকা, চেন্নাইয়ে ৯২৮.৫ টাকা, পাটনায় ১০০২.৫০ টাকা।
13
14
একনজরে দেখে নিন, জুন মাসে ১৯ কেজি বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কোন শহরে কত-
কলকাতায় ৩২৫৫.৫০ টাকা, দিল্লিতে ৩১১৩.৫০ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ৩১৯৮ টাকা, হায়দরাবাদে ৩৩৬৭ টাকা, মুম্বইয়ে ৩০৬৭.৫০ টাকা, চেন্নাইয়ে ৩২৮৩ টাকা।
14
14
অন্যদিকে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত দেশে এলপিজির ঘাটতি নেই। তাই প্যানিক বা আতঙ্কে গ্যাস সিলিন্ডার বুকিংয়ের কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই।