ইরান এবং ইজরায়েলের মধ্যের সামরিক উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সংঘাত ভারতের ব্যবসা ও অর্থনীতিতে সরাসরি বড় ক্ষতি করতে পারে না।
2
7
ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি কম করে দিয়েছে ২০২০ সালে, আমদানি-রপ্তানির ওপর আর অতটা নির্ভরতা নেই। ফলে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবস্থা থাকলেও সরাসরি তেলের সরবরাহ বা আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের ওপর তেমন প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম।
3
7
ভারতের ম্যাক্রোইকোনমিক পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী, যার কারণে আন্তর্জাতিক সংঘাতের কারণে সাময়িক শোরগোল হলেও তা স্থায়ীভাবে বড় অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হবে না বলে সরকারি কর্মকর্তারা মন্তব্য করেছেন।
4
7
ভারত ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশ থেকে তেল ও গ্যাস আমদানি করে, এবং হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা কিছু কমেছে। ফলে সেখানে খানিকটা চাপ কম হবে।
5
7
বিশ্বব্যাপী তেল ও পণ্য বাজারে স্বল্প মেয়াদে মূল্য ওঠাপড়া হতে পারে, কিন্তু তা দীর্ঘমেয়াদী ধাক্কা দেয় না যদি পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত হয়। সরকারি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘাত মহাদেশীয় অর্থনীতিতে মৌলিক পরিবর্তন আনবে না যদি তা দ্রুত শান্ত হয়।
6
7
ভারত এবং ইজরায়েলের মধ্যে আছে বাণিজ্যিক সম্পর্ক, কিন্তু তা ভারতের মোট বাণিজ্যের তুলনায় ছোট একটি অংশ। একইভাবে ইরানের বাজারেও ভারতীয় পণ্য রপ্তানি হয়েছে, তবে পরিমাণ বড় না হওয়ায় এটা দেশের সামগ্রিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিকে বড়ভাবে নাড়িয়ে দেবে না।
7
7
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে খামেইনির মৃত্যুর পর এই সংঘর্ষ দীর্ঘায়িত হতে পারে। ফলে সেখানে ভারতকে সতর্ক হয়েই থাকতে হবে।