ঘুরতে যাওয়ার মতোই দূরপাল্লার ট্রেনে জার্নিও একধরনের অভিজ্ঞতা। আগেকার দিনে দূরপাল্লার ট্রেনগুলি গন্তব্যে পৌঁছতে কয়েকদিন সময় নিত।
2
9
দূরপাল্লার ট্রেনে চারবেলায় পাওয়া যেত নানা ধরনের খাবার। এখনকার মতো অ্যাপের সাহায্যে বা অনলাইনে খাবারের জন্য আগাম বুকিংয়ের ঝক্কি পোহাতে হত না।
3
9
সালটা ১৯৯০। সেই সময় প্রতিটি ট্রেনেই আলাদা আলাদা খাবারের ব্যবস্থা ছিল। যে রুটে যেমন খাবার জনপ্রিয়, সেগুলো বানানো হত রেলের প্যান্ট্রিতে।
4
9
সেই সময় খাবার পরিবেশন করা হত স্টিলের ট্রে-তে। চা দেওয়া হত পুরু গ্লাসে। যা দীর্ঘক্ষণ গরম রাখত পানীয়। আমিষ, নিরামিষ দু'ধরনের খাবার পাওয়া যেত ট্রেনে।
5
9
নিরামিষ থালিতে থাক, ভাত, রুটি, ডাল, একধরনের সবজি, আচার। কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেনে খিচুড়ি, পোলাও পরিবেশন করা হত নিরামিষ থালিতে।
6
9
ট্রেনের রুট অনুযায়ী ব্রেকফাস্টের পদ নির্ভর করত। উত্তর ভারতের ট্রেনে আলু পরোটা আর দই দেওয়া হত। দক্ষিণ ভারতের ট্রেনে ইডলি, উপমা। বাকি ট্রেনগুলিতে পাউরুটি ও বাটার দেওয়া হত।
7
9
দূরপাল্লার ট্রেনগুলি কোনও বড় স্টেশনে থামলে, তখনও নানা স্বাদের খাবার চেখে দেখার সুযোগ পেতেন যাত্রীদের। কাটলেট, কচুরি, সিঙাড়া, সব পাওয়া যেত ট্রেনের মধ্যে।
8
9
আমিষ খাবারের মধ্যে ডিমের ওমলেট ছিল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। ব্রেকফাস্ট ওমলেট দেওয়া হত। বেশিরভাগ রুটে ভাত, রুটির সঙ্গে ডিমের কোনও পদ থাকত। কিছু বিশেষ ট্রেনে ডিনারে মুরগির মাংস, বিরিয়ানিও পরিবেশে করা হত।
9
9
লোভনীয়, সুস্বাদু খাবারের পাশাপাশি মেনুতে থাকত মিষ্টি। সন্দেশ, রসগোল্লা, গোলাপ জাম, সোন পাপড়ি, বেসনের লাড্ডুও থাকত সেই মেনুতে।