উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার এখন ঘরে ঘরে দেখা যাচ্ছে। যা অনেকেই সাধারণ সমস্যা ভেবে গুরুত্ব দেন না।
2
10
চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শুধু হার্ট নয়, মস্তিষ্কেরও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এমনকী স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, চিন্তাভাবনায় সমস্যা, স্ট্রোক এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
3
10
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই ক্ষতি একদিনে হয় না। ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের ছোট ছোট রক্তনালিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। ফলে মস্তিষ্কে ঠিকমতো রক্ত ও অক্সিজেন পৌঁছতে পারে না। আর সেখান থেকেই শুরু হয় নানা সমস্যা।
4
10
চিকিৎসকদের মতে, অনেকে প্রথমে বুঝতেই পারেন না যে তাঁদের মস্তিষ্কে প্রভাব পড়ছে। কারণ শুরুতে লক্ষণগুলো খুব সাধারণ হয়। বারবার জিনিস ভুলে যাওয়া, কথা বলতে গিয়ে থেমে যাওয়া, মনোযোগ কমে যাওয়া, মাথা ঝিমঝিম করা বা আচমকা মুড বদলে যাওয়া। বেশিরভাগ মানুষ এগুলোকে বয়স, কাজের চাপ বা ঘুমের অভাব বলে এড়িয়ে যান।
5
10
চিকিৎসকদের দাবি, এগুলো দীর্ঘদিন চলতে থাকলে তা হাই ব্লাড প্রেশারের প্রভাবও হতে পারে। এমনকি অনেক সময় 'সাইলেন্ট স্ট্রোক' হয়, যার লক্ষণ প্রথমে বোঝাই যায় না। পরে ধীরে ধীরে তার প্রভাব স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কাজের ওপর পড়তে শুরু করে।
6
10
বিশেষজ্ঞরা আরও জানাচ্ছেন, আগে বেশি বয়সিদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা গেলেও এখন কম বয়সীদের মধ্যেও দ্রুত বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপ। এর অন্যতম কারণ হল অনিয়মিত জীবনযাপন।
7
10
অতিরিক্ত স্ট্রেস, কম ঘুম, জাঙ্ক ফুড খাওয়া, অতিরিক্ত নুন, শরীরচর্চার অভাব, ধূমপান ও মদ্যপানের মতো অভ্যাস রক্তচাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
8
10
চিকিৎসকদের মতে, অনেকেই নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করান না। ফলে সমস্যা ধরা পড়তে দেরি হয়। আর ততদিনে শরীরের ভিতরে ক্ষতি শুরু হয়ে যায়।
9
10
তাই হাই ব্লাড প্রেশারকে কখনও হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা, কম নুন খাওয়া, প্রতিদিন হাঁটা বা শরীরচর্চা করা, পর্যাপ্ত ঘুমানো এবং মানসিক চাপ কমানো খুব জরুরি। পাশাপাশি ধূমপান ও মদ্যপান এড়িয়ে চলার কথাও বলছেন চিকিৎসকেরা।
10
10
প্রথম থেকে সতর্ক থাকলে ভবিষ্যতে বড় বিপদ অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।