চুল আঁচড়ানো দৈনন্দিন রুটিনেরই অংশ। কিন্তু ভুল পদ্ধতিতে চুল আঁচড়ালে গোড়া দুর্বল হয়ে পড়ে এবং চুল পড়ার সমস্যাও বাড়তে পারে। ভেজা চুল রুক্ষভাবে আঁচড়ানো, ভুল ধরনের চিরুনি ব্যবহার করা বা জট ছাড়াতে তাড়াহুড়ো করা, এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলি প্রথমে ক্ষতিকর মনে না হলেও ধীরে ধীরে চুলের বড় ক্ষতি করে। ঘন, মজবুত ও স্বাস্থ্যকর চুল পেতে হলে এই সাধারণ ভুলগুলি এড়ানো জরুরি।
2
6
ভেজা অবস্থায় চুল সবচেয়ে বেশি নরম ও ভঙ্গুর থাকে। এই সময় জোরে বা অসতর্কভাবে চুল আঁচড়ালে গোড়ায় চাপ পড়ে এবং চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। চুল ধোয়ার পর কিছুটা শুকোতে দিন। তারপর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে আলতো করে আঁচড়ান, এতে চুল পড়ার আশঙ্কা কমে।
3
6
প্রতিটি চুলের ধরন আলাদা। পাতলা বা দুর্বল চুলে শক্ত ব্রাশ ব্যবহার করা উচিত নয়। আবার কোঁকড়ানো চুলে সরু দাঁতের চিরুনি এড়িয়ে চলাই ভাল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মোটা দাঁতের কাঠের চিরুনি সবচেয়ে নিরাপদ, কারণ এটি চুলের উপর কম চাপ ফেলে।
4
6
অনেকেই ভুল করে গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত একটানে আঁচড়ান, এতে চুল বেশি জট বাঁধে ও ভেঙে যায়। তার বদলে প্রথমে চুলের আগা ছাড়ান, তারপর ধীরে ধীরে উপরের দিকে এগোন। এতে চুল থাকবে মজবুত ও স্বাস্থ্যকর।
5
6
দিনে বারবার চুল আঁচড়ালে চুল শুষ্ক ও প্রাণহীন হয়ে পড়তে পারে। দিনে দু’তিনবারের বেশি আঁচড়ানো ভাল নয়। হালকা হাতে, সচেতনভাবে চুল আঁচড়ানোই সবচেয়ে উপকারী।
6
6
চুলের যত্নে চিরুনি বা ব্রাশ পরিষ্কার রাখাও ভীষণ জরুরি। নোংরা চিরুনি থেকে খুশকি ও স্ক্যাল্পের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। নিয়মিত পরিষ্কার করলে চুল ও মাথার ত্বক দু’টিই সুস্থ থাকে।