দীপাবলি মানেই আলোর উৎসবের আনন্দ। তবে শুধু এইটুকুই নয়, দীপাবলির সঙ্গে জড়িত প্রাচীন হিন্দু বিশ্বাসও। আবার জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এদিন রাতে কিছু বিশেষ প্রাণী দেখা জীবনে সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক বহন করে। প্রতি বছর এই সময় অনেকেই এই বিশ্বাসের প্রতি বিশেষ নজর রাখে। আসুন দেখে নেওয়া যাক দীপাবলির রাতে কোন কোন প্রাণী দেখা শুভ-
2
8
পেঁচাঃ পেঁচাকে দেবী লক্ষ্মীর বাহন হিসেবে ধরা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীপাবলির রাতে পেঁচা দেখা অর্থাৎ লক্ষ্মীর আশীর্বাদ পাওয়া। যদি পেঁচা আপনার বাড়ির ছাদে বা জানালার কাছে দেখা যায়, তাহলে তা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও ঘরের শান্তির ইঙ্গিত দেয়।
3
8
নীলকন্ঠঃ দশমীর মতোই দীপাবলিতে নীলকান্ত পাখি দেখা সৌভাগ্য বয়ে আনে বলে বিশ্বাস করা হয়। এই প্রাণবন্ত নীল পাখিটিকে ভগবান শিবের দূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর দর্শন অগ্রগতি এবং সাফল্যের প্রতীক বলে মনে করা হয়।
4
8
বেজিঃ দীপাবলিতে ধন-সম্পদের দেবতা কুবেরের বাহন হিসেবে বিবেচিত মঙ্গুস দেখাও আরেকটি শুভ লক্ষণ। কথিত রয়েছে, দীপাবলির রাতে মঙ্গুস দেখা গেলে আগামী বছরে আর্থিক লাভ এবং সমৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
5
8
খরগোশঃ খরগোশকে মঙ্গল ও প্রাচুর্যের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। দীপাবলির রাতে খরগোশ দেখা মানে সুখ, সমৃদ্ধি এবং জীবনে আনন্দের আগমন।
6
8
বিড়ালঃ যদিও বিড়ালকে সাধারণত বাড়ির আশেপাশে দেখা যায়। তবে দীপাবলির রাতে তাদের উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। বিড়ালকে মায়াবী ও রহস্যময় প্রাণী হিসেবে ধরা হয়। দীপাবলির রাতে বিড়াল দেখা মানে জীবনে শান্তি, সুরক্ষা ও সুখের আগমন।
7
8
মোরগঃ মোরগের কণ্ঠস্বরকে শুভ সূচক হিসেবে ধরা হয়। দীপাবলির রাতে মোরগের ডাক শোনা মানে নতুন সূচনা, সম্ভাবনা এবং জীবনে উন্নতির ইঙ্গিত।
8
8
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই বিশ্বাসগুলো মূলত আঞ্চলিক সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের অংশ। তবে বাস্তব জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম, সততা ও সচেতন জীবনধারাই অপরিহার্য।