‘ধুরন্ধর ২’ মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই হইচই ফেলেছে। নজর কেড়েছে আদিত্য ধরের নিখুঁত পরিচালনা এবং ডিটেলিং। রণবীর সিং বরাবরের মতোই তাঁর দুর্ধর্ষ অভিনয়ে তাক লাগিয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই ছবি ঢুকে পড়েছে ৫০০ কোটির ক্লাবে!
2
10
আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ শুধু তার টানটান উত্তেজনা বা দুর্দান্ত অ্যাকশনের জন্যই নয়, বরং পুরোনো দিনের কালজয়ী গানগুলোকে নতুনভাবে ফিরিয়ে আনার জন্যও দর্শকদের মন জয় করেছে।
3
10
ছবিতে মোট ৭টি আইকনিক হিন্দি গান ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতিটি দৃশ্যকে এক ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। এক নজরে দেখে নিন সেই তালিকা:
4
10
১. আরি আরি : ২০০০-এর দশকের বোম্বে রকার্সের সেই সুপারহিট পাঞ্জাবি ফোক রিমিক্স এবার ফিরেছে ‘ধুরন্ধর ২’-এ। রণবীর সিং ওরফে জাসকিরাতের পরিবারের প্রতিশোধ নেওয়ার এক নৃশংস অ্যাকশন সিকোয়েন্সে এই গানটি ব্যবহার করা হয়েছে।
5
10
২. হম প্যায়ার করনে ওয়ালে : ১৯৯০ সালের ‘দিল’ ছবির উদিত নারায়ণ ও অনুরাধা পাড়োয়ালের সেই রোমান্টিক ট্র্যাক। রণবীর সিং-এর জেল ট্রান্সফার এবং অপহরণের চরম উত্তেজনার মুহূর্তে এই গানটি এক অদ্ভুত আবহ তৈরি করে।
6
10
৩. দিদি: আলজেরিয়ান গায়ক খালেদের ১৯৯২ সালের বিশ্বখ্যাত আরবি গান। রণবীর সিং-এর ‘শের-ই-বালুচ’ এন্ট্রির সময় এই গানটি ব্যাকগ্রাউন্ডে বেজে ওঠে।
7
10
৪. দিল পে জখম খাতে হ্যায়: ছবির শুরুতেই নুসরত ফতেহ আলি খানের ১৯৭৭ সালের এই ক্ল্যাসিক কাওয়ালি ব্যবহার করা হয়েছে রণবীরের ‘হামজা’ চরিত্রটিকে পরিচিত করাতে।
8
10
৫. তাম্মা তাম্মা: বাপ্পি লাহিড়ীর এই কালজয়ী ডান্স নম্বরটি ব্যবহৃত হয়েছে একটি রোমহর্ষক দৃশ্যে—এসপি চৌধুরী আসলামের (সঞ্জয় দত্ত) গুপ্তহত্যার সময়।
9
10
৬. তিরছি টোপিওয়ালে: ক্লাইম্যাক্সে যখন জামিল জামালির আসল রূপ এবং ‘বড় সাহেব’ ওরফে দাউদ ইব্রাহিমকে বিষ দেওয়ার রহস্য উন্মোচিত হয়, তখন নেপথ্যে বেজে ওঠে ‘ত্রিদেব’ ছবির এই আইকনিক গান।
10
10
৭. মন আটকেয়া বেপরোয়া দে নাল: ছবির পোস্ট-ক্রেডিট দৃশ্যে জাসকিরাতের কঠিন মিলিটারি ট্রেনিং এবং পাকিস্তানে ভারতীয় স্পাই হিসেবে তাঁর নিয়োগের মুহূর্তটিতে নুসরাত ফতেহ আলি খানের এই ১৯৯২ সালের কাওয়ালিটি এক গভীর আবেগ যোগ করে।