সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে, রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার রাজ্যের অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা মিটিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।
2
12
এই প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছেন পঞ্চায়েত, পুরসভা, বিধিবদ্ধ পর্ষদ, কর্পোরেশন, সরকারি-পোষিত ও সরকারি-সহায়তা প্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী ও অন্যান্য অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মীরা। ‘রোপা ২০০৯’ অনুযায়ী দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিএ-র অর্থ মিটিয়ে দেওয়াই এখন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
3
12
অর্থ দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অন্যান্য বিভাগের আধিকারিকদের ভার্চুয়াল বৈঠক হয়েছে। অর্থ দপ্তরের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সমস্ত দপ্তরকে তাদের নিজস্ব বেতন পোর্টালে বকেয়ার বিল জমা দেওয়ার জন্য আলাদা শাখা প্রস্তুত রাখতে হবে।
4
12
এই প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পরই বকেয়া বিল সাবমিট করার পরবর্তী নির্দেশ পাঠাবে অর্থ দপ্তর। প্রস্তুতি শেষ হলেই বকেয়া ডিএ মেটানোর তারিখ খুব শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে।
5
12
সরকারি কর্মী ও গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। বকেয়া ডিএ-সহ একগুচ্ছ দাবি জানিয়েছে তারা।
6
12
কর্মীদের বকেয়া ডিএ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, এক্সটেনশন অফিসারদের বদলি নীতি, নতুন পে কমিশন এবং ট্রাভেলিং অ্যালাওয়েন্স-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাক্ষাতের সময় চেয়েছে সংগঠনটি। ১৭ অগস্টের চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাদের একটি প্রতিনিধি দলকে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
7
12
সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের অভিযোগ, বহু গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মী এখনও তাঁদের প্রাপ্য বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাননি। এর ফলে তাঁরা আর্থিক সমস্যায় পড়ছেন এবং সরকারি কর্মী ও গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হচ্ছে বলে দাবি সংগঠনের। দ্রুত বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আর্জি জানানো হয়েছে।
8
12
এক্সটেনশন অফিসারদের বদলি নীতি নিয়েও সরব হয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। চিঠিতে বলা হয়েছে, নতুন বদলি নীতিতে তিন বছর পর বদলির বিষয়টি বিবেচনা এবং সাধারণভাবে একই পদে চার বছরের বেশি না রাখার কথা রয়েছে।
9
12
কিন্তু বিভিন্ন দপ্তরের এক্সটেনশন অফিসাররা ব্লক স্তরে ১৫ থেকে ২০ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে কর্মরত রয়েছেন বলে দাবি সংগঠনের। দুর্গম ও কঠিন পরিস্থিতিতে কাজ করার পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটিও পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ।
10
12
এছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের নন-অ্যাকাডেমিক কর্মীদের নতুন পে কমিশনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে। তাঁদের বেতন কাঠামো অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংশোধনের আবেদন জানানো হয়েছে।
11
12
পাশাপাশি, যাতায়াত ও সংশ্লিষ্ট খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় ট্রাভেলিং অ্যালাওয়েন্স ও ডেইলি অ্যালাওয়েন্সের হার পুনর্বিবেচনার দাবিও জানিয়েছে সংগঠন।
12
12
চিঠির শেষে মুখ্যমন্ত্রীর সুবিধামতো সময় নির্ধারণ করে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করার আবেদন জানানো হয়েছে। কর্মীদের এই সমস্ত বিষয় নিয়ে সরাসরি আলোচনা করে সংগঠনের গঠনমূলক প্রস্তাবগুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরতে চায় তারা।