এই খাবারটি দেখলেই মহিলাদের জিভে জল চলে আসে। সন্ধ্যাবেলায় এই খাবারের দোকানের সামনে ভিড় দেখায় যায় প্রায় প্রতিদিনই।
2
11
ঝড়-জল-বৃষ্টি যাই হোক না কেন, ফুচকার দোকানে ভিড়ে ঘাটতি পড়ে না সচরাচর। ফুচকার ইতিহাস বহু পুরনো এবং এর নামের পেছনেও আছে চমকপ্রদ তথ্য!
3
11
ফুচকা একটি জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড, বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এটি আসলে একটি ফাঁপা, খাস্তা গোল বল যার ভিতর আলু মাখা, মশলা, ছোলা এবং টক তেঁতুলের জল ভরে খাওয়া হয়।
4
11
এক কামড়েই মুখে বিস্ফোরণ ঘটায় টক, ঝাল আর মিষ্টির মিশ্রিত স্বাদ। আপনি কি জানেন, ফুচকাকে ইংরেজিতে কী বলে? ৯৯ শতাংশ মানুষই এই প্রশ্নের ভুল উত্তর দেয়!
5
11
ফুচকার জন্ম ভারতে, বর্তমান বিহারের ‘মগধ’ অঞ্চলে। ইতিহাসবিদদের মতে, এই খাবারের প্রথম উদ্ভাবক ছিলেন দ্রৌপদী! হ্যাঁ, মহাভারতের সেই দ্রৌপদীই নাকি ফুচকার উদ্ভাবন করেন।
6
11
কথিত আছে, একদিন কুন্তী তাঁকে বলেছিলেন খুব অল্প আটা দিয়ে এমন কিছু বানাতে যা পাঁচজন ভাই (পাণ্ডব) খেয়ে পেট ভরবে। দ্রৌপদী তখন ছোট ছোট ফাঁপা পুরি বানিয়ে তার ভেতর আলুর মিশ্রণ ভরে দিলেন। সেই থেকেই নাকি ফুচকার শুরু।
7
11
দিল্লি ও উত্তর ভারতে বলা হয় গোলগাপ্পা, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডে বলা হয় গুপচুপ, মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে বলা হয় পানিপুরি। আর বাংলায় এর একটাই নাম– ফুচকা।
8
11
কিন্তু ফুচকাকে ইংরেজিতে কী বলা হয় জানেন? অনেকেই ভাবেন ফুচকার কোনও নির্দিষ্ট ইংরেজি নাম নেই। কিন্তু আসলে এর কিছু বিকল্প ইংরেজি অনুবাদ আছে।
তবে সবচেয়ে কাছাকাছি নাম হিসেবে ‘Fried puff-pastry balls filled with spicy water’ বা ‘Crispy hollow balls filled with tangy water’ বলা যায়।
11
11
দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে প্রথম ফুচকার দোকান খোলে লন্ডনে ১৯৭৫ সালে। প্রতি বছর বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ৫০০ কোটি ফুচকা বিক্রি হয়। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত, ফুচকা খাওয়ার সময় মানুষের মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসরণ হয়— যা খুশি ও আনন্দের হরমোন।