উপচে পড়বে অর্থ, কাটবে বাধা বাস্তমতে বদলে ফেলুন কিছু অভ্যাস
নিজস্ব সংবাদদাতা
১ মে ২০২৬ ১০ : ২৫
শেয়ার করুন
1
11
অনেক সময় অজান্তেই এমন কিছু ভুল হয় যা বাড়ির পজিটিভ এনার্জিকে নষ্ট করে। এর ফলে বাড়ির সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ, আর্থিক অনটন বা কাজে বাধা আসতে পারে। তবে কিছু সহজ উপায়ে এই নেতিবাচক শক্তি দূর করা সম্ভব।
2
11
বাড়ির রান্নাঘরে মা অন্নপূর্ণা ও মা লক্ষ্মীর বাস। রান্নাঘর অপরিষ্কার বা অপরিচ্ছন্ন থাকলে সেখান থেকেই সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক শক্তি তৈরি হয়। রাতে খাওয়ার পর এঁটো বাসন জমিয়ে রাখা বাস্তুর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। যদি রাতে বাসন মাজা সম্ভব না হয়, তবে অন্তত জল দিয়ে ধুয়ে রাখা উচিত।
3
11
অনেকেই ডাইনিং টেবিলে না খেয়ে, যে বিছানায় রাতে ঘুমোন, সেখানেই বসে খাবার খান। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বিছানায় বসে খাওয়া বাস্তুদোষের অন্যতম বড় কারণ।
4
11
বাড়ির বাথরুম নিয়মিত পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার৷ বিশেষত বুধবার ও শনিবার বাথরুম পরিষ্কার করা উচিত। একটি কাঁচের বাটিতে সামান্য ফিটকিরি, কিছুটা সৈন্ধব লবণ, সামান্য কর্পূর এবং ৫-৭টি লবঙ্গ নিন। এটি বাথরুমের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে দিন।
5
11
প্রতি শনিবার এটি কমোডে ফেলে ফ্লাশ করে দিন এবং আবার নতুন করে বাটিতে উপকরণগুলি সাজিয়ে রাখুন। এর ফলে বাস্তুর ভারসাম্য বজায় থাকে৷
6
11
ঘর থেকে নেতিবাচক শক্তি দূর করতে লবণ-জল দিয়ে ঘর মোছা শুভ৷ যদি মনে হয় শুভ কাজে বারবার বাধা আসছে, তবে শনিবার ও মঙ্গলবার ঘর মোছার জলে সামান্য লবণ মিশিয়ে ঘর মুছুন।
7
11
কাজে বাধা, ব্যবসায় ক্ষতি বা খিটখিটে মেজাজের সমস্যা দূর করতে, একটি কাঁচের বাটিতে ফিটকিরি, ৫-৭টি লবঙ্গ, সৈন্ধব লবণ ও কর্পূর নিয়ে ঘুমানোর সময় মাথার কাছে রেখে দিন। শনিবার সকালে সেটি কমোডে দিয়ে ফ্লাশ করে দিন।
8
11
অনেক সময় ঘর সাজানোর জন্য পিতলের কচ্ছপ, হাতি বা উটের মূর্তি কিনি। কিন্তু এগুলি ভুল দিকে এগুলি রাখা অশুভ৷
9
11
বাড়ির কোন কোণে কী রং, তা বাস্তুর উপর গভীর প্রভাব ফেলে। যেমন, বাড়ির পূর্ব দিকে সবুজ রঙ করা অত্যন্ত শুভ। দক্ষিণ-পূর্বে নীল রং ব্যবহার করলে তা সংসারে অশান্তি হয়৷
10
11
দীর্ঘসময় ধরে কোনো শুভকাজ আটকে থাকলে প্রতি শুক্রবার একটি পানপাতার ওপর কর্পূর রেখে বাড়ির সদর দরজার সামনে জ্বালিয়ে দিন। অন্তত সাত সপ্তাহ এই নিয়ম পালন করলে কর্মস্থান ও ব্যবসায় উন্নতি হওয়ার পাশাপাশি সাংসারিক সুখ শান্তি ফিরে আসবে।
11
11
বাড়ি তৈরির সময় সিঁড়িঘর, সেপটিক ট্যাঙ্ক বা জলের ট্যাঙ্ক কোথায় হওয়া উচিত, সে বিষয়েও আগে থেকে বাস্তুবিদের পরামর্শ নেওয়া শ্রেয়।