'একটানা শুটিং করিয়ে নিত, দুটোর বেশি রুটি খেতে দিত না,' কোন প্রযোজকের কিপটেমি নিয়ে মুখ খুললেন অর্চনা?
নিজস্ব সংবাদদাতা
১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩ : ৪৯
শেয়ার করুন
1
10
বলিউডের কিছু প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন অভিনেত্রী অর্চনা পূরণ সিং। তাঁর মতে, নামিদামি প্রোডাকশন হাউজগুলো কোটি কোটি টাকা খরচ করলেও সেটে অভিনেতা ও কলাকুশলীদের জন্য ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা প্রদানে চূড়ান্ত কার্পণ্য করে।
2
10
অর্চনার মূল অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সেটের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং 'কঞ্জুসি' বা কৃপণ মানসিকতা। তিনি জানান, অনেক সময় সেটে যথাযথ শৌচাগার বা বিশ্রাম নেওয়ার জায়গা থাকে না।
3
10
বিশেষ করে মহিলা শিল্পী এবং পর্দার পিছনের কর্মীদের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
4
10
প্রচণ্ড গরমের মধ্যে তাঁরা কাজ করলেও ভ্যানিটি ভ্যানের সুবিধা বা পরিষ্কার পানীয় জলের অভাব মাঝেমধ্যেই সমস্যা সৃষ্টি করে।
5
10
তিনি জানান, প্রযোজকদের এই ধরণের 'কিপটেমি' শুধু অমানবিকই নয়, বরং অপেশাদারিত্বের চূড়ান্ত।
6
10
নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করতে গিয়ে অর্চনা অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে খাবারের ওপর এতটাই নিয়ন্ত্রণ রাখা হয় যে কর্মীদের দুপুরের খাবারে মাত্র দুটি করে রুটি দেওয়া হয়।
7
10
এই বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, "তারা যতটা সম্ভব কাজ আদায় করে নিতে চায়। আগে আমাদের শিফট থাকত সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা অথবা দুপুর ২টো থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। এখন একেকটি শিফট ১২ ঘণ্টা ছাড়িয়ে যায়। তার ওপর তারা প্রত্যাশা করে যে আমরা ১৩-১৪ ঘণ্টা কাজ করব এবং লাঞ্চ ব্রেকও দেব না।"
8
10
তিনি আরও বলেন, "এটা আসলে এক ধরনের 'কঞ্জুসি' (কৃপণতা)। কৃপণতা একটি মানসিকতা। তারা সব কিছুতেই কৃপণতা শুরু করেন। যারা রোদে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভারী সরঞ্জাম ধরে থাকেন, সেই লাইটম্যানদের তারা খেতে দেবে না—এটা কীভাবে সম্ভব? আমাদের মতো তাদের কোনও অ্যাসিস্ট্যান্ট নেই যে ফল কেটে এনে দেবে। এটা অত্যন্ত বাজে ব্যাপার।"
9
10
কিছু কিছু সেটে ক্রু সদস্যদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হয়, তার একটি উদাহরণ দিয়ে অর্চনা বলেন, "আমরা এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন অনেকবার হয়েছি। একটি খুব বড় প্রোডাকশন হাউজ ছিল, যাদের নাম আমি নিতে চাই না। আমরা তাদের ডাকতাম 'এক বোটি, দো রোটি' (এক টুকরো মাংস, দু'টুকরো রুটি) বলে।"
10
10
অর্চনার কথায়, "দুপুরের খাবারে আমিষ পদ থাকলও তা দেওয়া হতো খুব সীমিত পরিমাণে। কর্মীদের বলে দেওয়া হতো যেন তারা দুটোর বেশি রুটি না নেয় ও তরকারি যেন মাত্র একবারই নেয়।"