রাজ্য সরকার জানিয়েছে, মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং আর্থ সামাজিক উন্নয়ণের লক্ষেই এই যোজনা চালু করা হচ্ছে। আগামী ১ জুন থেকে মাসে তিন হাজার টাকা করে সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাাকাউন্টে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার বা ডিবিটি-র মাধ্যমে পৌঁছে যাবে।
3
10
এই প্রসঙ্গে বিজেপি সরকারের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, 'যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন, তাঁরাই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাবেন। যাঁরা পেতেন না, তাঁদের নামও যোগ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমরা আগের সরকার বা তার আগের সরকারের চালু করা কোনও যোজনাই বন্ধ করছি না।'
4
10
তবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন, কিন্তু অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাবেন না, এমন নামও থাকবে। সরকারের বিজ্ঞপ্ততেই তা স্পষ্ট।
5
10
কিন্তু কারা তারা? সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সমস্ত বিদ্যমান সুবিধাভোগীদের অন্নপূর্ণা যোজনায় স্থানান্তরিত করা হবে, তবে মৃত, স্থানান্তরিত, বাতিল এবং অনুপস্থিত ভোটার যাঁরা এসআইআর-২০২৬ চলাকালীন চিহ্নিত হয়েছেন, খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দ্বিতীয় তালিকায় বাতিল হয়েছেন, বিচার-বিবেচনার পর বাতিল হয়েছেন, অথবা ভোটার স্লিপ বিতরণের সময় ASDD পাওয়া গিয়েছে, তাঁরা ব্যাতিক্রম।
6
10
যেসব সুবিধাভোগী এসআইআর ট্রাইব্যুনালে আপিল করেছেন / নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইনের অধীনে আবেদন করেছেন, তাঁরা তাঁদের আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন প্রকল্পের অধীনে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
7
10
একইভাবে, মৃত এবং স্থানান্তরিত সুবিধাভোগীদের নাম ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।
8
10
নতুন আবেদনকারীদের জন্য, ২০২৬ সালের ১লা জুন থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা পোর্টালে অনলাইন আবেদনের সুবিধা চালু করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে তেমনটাই জানানো হয়েছে।
9
10
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কারা পাবেন? তাঁদের জন্য বেশকিছু শর্তও রয়েছে। যেমন-বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারি চাকুরে হলে মিলবে না এই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা।
10
10
স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, কেন্দ্র বা এই রাজ্য সরকারের অধীনে কোনও স্থায়ী সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকলে, কোনও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, সরকারি উদ্যোগ, পঞ্চায়েত, পৌরসভা, স্থানীয় সংস্থায় নিয়মিত বেতন/পেনশন পেলে, এই রাজ্য সরকারের সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক বা অশিক্ষক পদে কর্মরত হলে, তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।