বর্তমান ব্যস্ত জীবনে ডায়াবেটিস, ওজন বৃদ্ধি এবং শরীরের নানা সমস্যায় ভুগছেন কমবয়সিরাও। ঠিক এমন পরিস্থিতিতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজের জীবনযাত্রায় বদল এনে প্রায় ২০ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছেন। শুধু তাই নয়, তাঁর ডায়াবেটিসও অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
2
10
সবচেয়ে বড় কথা, এর জন্য তিনি কোনও কঠিন ডায়েট বা দামি চিকিৎসার উপর নির্ভর করেননি। বরং কয়েকটি সাধারণ নিয়ম মেনেই এই পরিবর্তন সম্ভব করেছেন।
3
10
২০২০ সালের পর তিনি নিজের স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ নজর দিতে শুরু অমিত শাহ। তিনি বুঝতে পারেন, শরীর ভাল না থাকলে কাজের চাপ সামলানো কঠিন। তাই প্রথমেই তিনি নিজের দৈনন্দিন রুটিন বদলান।
4
10
সবচেয়ে আগে তিনি ঘুমের উপর জোর দেন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোতে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত ঘুম নেওয়ার অভ্যাস তৈরি করেন। চিকিৎসকদের মতে, কম ঘুম হলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে ওজন বাড়তে পারে এবং রক্তে শর্করার মাত্রাও বেড়ে যেতে পারে। তাই ভাল ঘুম সুস্থ থাকার জন্য খুবই জরুরি।
5
10
এরপর অমিত শাহ খাবারের দিকে নজর দেন। বাইরের ভাজাভুজি, অতিরিক্ত তেল-মশলাদার খাবার এবং মিষ্টি কমিয়ে দেন। তার বদলে ঘরোয়া ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া শুরু করেন। খাদ্যতালিকায় বেশি করে শাকসবজি, ডাল, প্রোটিন এবং হালকা খাবার রাখতেন। চিনি ও প্রসেসড খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সঠিক খাবার বেছে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
6
10
অমিত শাহ নিয়মিত জল খাওয়ার অভ্যাসও তৈরি করেন। পর্যাপ্ত জল শরীরের মেটাবলিজম ভাল রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরকে সতেজ রাখে।
7
10
শুধু খাবার নয়, শরীরচর্চাকেও তিনি জীবনের অংশ করে তোলেন। প্রতিদিন হাঁটা, হালকা ব্যায়াম এবং যোগব্যায়াম করতেন। যোগব্যায়ামের এই অভ্যাস অমিত শাহের ওজন কমাতে সাহায্য করেছে। নিয়মিত শরীরচর্চা শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি কমাতে সহায়ক এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও উপকারী।
8
10
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, অমিত শাহ দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য কোনও শর্টকাট পথে হাঁটেননি। ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুলেছেন এবং সেই নিয়ম মেনে চলেছেন।
9
10
চিকিৎসকদের মতে, হঠাৎ ক্র্যাশ ডায়েট বা অতিরিক্ত ব্যায়ামের চেয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বেশি উপকার দেয়।
10
10
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই পরিবর্তন প্রমাণ করে, ইচ্ছাশক্তি এবং নিয়ম মেনে চললে সহজ উপায়ে ওজন কমিয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব।