মধ্য এশিয়ায় রণক্ষেত্র। আমেরিকা-ইরান ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের জেরে আকাশপথ এখন বন্ধ। সংঘাতের জেরে টালমাটাল বিশ্বরাজনীতি৷
2
8
এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সমাজমাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছিল, এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্রাঙ্কফুর্ট-দিল্লি বিমানটি নাকি ইরানের 'নিষিদ্ধ' আকাশসীমা দিয়ে উড়ে এসেছে।
3
8
বুধবার এই খবরকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়ো’ বলে উড়িয়ে দিল এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ওই বিমানটি সৌদি আরবের পথ দিয়ে ঘুরিয়ে আনা হয়েছে।
4
8
সংস্থা জানিয়েছে, কোনও অবস্থাতেই তারা 'নিষিদ্ধ' বা বিপজ্জনক আকাশপথ ব্যবহার করে না। প্রতি মুহূর্তের আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই বিমানের গতিপথ ঠিক করা হয়। তাদের কাছে যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তাই সবথেকে আগে।
5
8
উল্লেখ্য, আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর থেকেই গোটা উপসাগরীয় অঞ্চল অগ্নিগর্ভ।
6
8
পালটা হিসেবে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হানা চলছে রিয়াধ ও দুবাইয়ের মতো শহরগুলোতে। এর ফলে দুবাই ও আবু ধাবির মতো বড় বিমানবন্দরগুলো মাঝেমধ্যেই বন্ধ রাখতে হচ্ছে। কাতারের হামাদ বিমানবন্দরে হামলার জেরে সেখানকার আকাশপথও এখন পুরোপুরি বন্ধ।
7
8
এই সংকটের সময়ে ওমানের মাসকট বিমানবন্দর কার্যত ত্রাতার ভূমিকা নিয়েছে। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ বা লুফথানসার মতো সংস্থাগুলো সেখান থেকেই বিদেশি নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
8
8
বর্তমানে ইরান, ইরাক, সিরিয়া ও কুয়েতের আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ থাকলেও সৌদি আরব বা জর্ডনের মতো দেশগুলো পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে আংশিক বিধিনিষেধ জারি রেখেছে।