বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী জিনাত আমান ফের একবার তাঁর সাহসী মন্তব্যের জন্য আলোচনার কেন্দ্রে। সম্প্রতি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ে ও 'লিভ-ইন' সম্পর্কের বিষয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন, যা নিয়ে নেটপাড়ায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।

জিনাতের মতে, বিয়ের আগে যুগলদের একে অপরের সঙ্গে 'লিভ-ইন' বা একসঙ্গে থাকা উচিত। তাঁর যুক্তি, বিয়ের মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে একে অপরকে ভালভাবে চেনা অত্যন্ত জরুরি। বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর কথায়, "মানুষের অভ্যাস, স্বভাব এবং দৈনন্দিন জীবনে একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা কতটা—তা বিয়ের আগে 'লিভ-ইন' সম্পর্কে থাকলেই স্পষ্টভাবে বোঝা সম্ভব। এটি কেবল শারীরিক নয়, বরং মানসিক বোঝাপড়ার জায়গাটিও পোক্ত করে।"

তিনি মনে করেন, আবেগের বশে বা সামাজিকভাবে চাপে পড়ে বিয়ে করার চেয়ে, বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ। জিনাতের এই মতামতের পক্ষে ও বিপক্ষে নেটপাড়ায় জোরদার সমালোচনা চলছে।‌

তবে জিনাত আমান বরাবরই খোলামেলা কথা বলতে পছন্দ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ অধিকার প্রত্যেকের থাকা উচিত।

অস্বস্তিকর সত্যি প্রকাশ্যে বলতে কখনও পিছপা হননি জিনত আমন। সে ব্যক্তিগত হোক কিংবা বলিউড সংক্রান্ত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজের কাজ, নিজের যুগের এবং গোটা হিন্দি ছবির রোম্যান্স-ভাবনাকেই নতুন করে প্রশ্ন করতে ভালবাসেন তিনি। 

একবার তিনি অকপটে স্বীকার করেছিলেন, তাঁর অভিনীত ছবিগুলিও সেই সময়ের বলিউডের মতোই সুস্থ, স্থিতিশীল ভালবাসার বদলে ‘অবসেশন’ আর ‘পছন্দের ব্যক্তিকে নিয়ে সারাক্ষণ অবাস্তব কল্পনা’-কে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, তিনিও দর্শকদের কাছে রোম্যান্সের এক 'হাস্যকর ও বিকৃত ধারণা' পৌঁছে দেওয়ার অংশীদার ছিলেন। প্রসঙ্গত, নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘দ্য রয়্যালস’-এ তাঁকে শেষ দেখেছিলেন দর্শক।