প্রখ্যাত অভিনেতা বিপ্লবকেতন চক্রবর্তীকে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকতেন জেঠু বলে। সেই সূত্রে বিপ্লবকেতন চক্রবর্তীর দুই মেয়েকে ডাকনামেই ডাকতেন রাহুল। সোমাদি আর টুম্পাদির কাছেও রাহুল বা আদরের বাবিন ছিল ভাইয়ের মতো।
রাহুলের আকস্মিক মৃত্যুর খবর তাঁর সোমাদি পেয়েছিলেন মুর্শিদাবাদ থেকে ফেরার সময়৷ আকস্মিক এই দুর্ঘটনার খবরে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে বোন সুদীপ্তাকে ফোন করেন৷ রাহুলের খবরটা শোনার পর থেকেই তাঁর হাত পা কাঁপছে বলেও জানান বিদীপ্তা।
সমাজমাধ্যমে বিদীপ্তার লেখায় তাঁর ভাইকে হারানোর বেদনায় রাগ-অভিমান কষ্ট প্রকাশিত৷
বিদীপ্তা চক্রবর্তী সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, "বড্ড ভালবাসি তোকে বাবিন বড্ড।
ফিরে তো আর আসবি না! তোর সোমা দি খুব রাগ করলো তোর ওপর এটুকু জেনে রাখিস। আমার ভাই সন্তান বন্ধু সখা তুই যে কী ছিলি আমার আমি জানি না।"
বিদীপ্তা আরও লিখেছেন, "আজ কাকিমা বলছিলেন তুই বলিস সোমা দির সামনে কখনও রাহুল বলা যায় না আমাকে। আমার বাপের দেওয়া নামেই সোমা দি টুম্পা দি আমায় ডাকে, হয় বাবিন নয়তো অরুণোদয়।"
[ অভিনেত্রী বিদীপ্তা চক্রবর্তীর লেখার বানানা অপরিবর্তিত রাখা হল ]
প্রসঙ্গত, অভিনেতা রাহুলের ডাকনাম বাবিন এবং বাবা মায়ের দেওয়া নাম অরুনোদয় ব্যানার্জি। টলিউডে অভিনয় করতে আসার পর রাহুল নামে পরিচিতি পান অরুনোদয়। তিনি যদিও সমাজমাধ্যমে রাহুল অরুনোদয় ব্যানার্জি লিখতেন তবুও রাহুল নামেই সকলে চিনতেন৷ কাছের মানুষেরা ডাকতেন বাবিন বলে৷
















