আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...


সমাজের ভাবনার পরিবর্তন দরকার: কেন বললেন মাধুরী? 

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত তাঁর নতুন ছবি ‘মা বহেন’-এর সাফল্য নিয়ে মুখ খুলেছেন। একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, ছবিটির মূল বক্তব্য কোনও একটি লিঙ্গকে আক্রমণ করা নয়, বরং সমাজের সামগ্রিক মানসিকতার দিকে প্রশ্ন তোলা। ছবিতে মাধুরী অভিনয় করেছেন রেখা নামের এক মায়ের চরিত্রে, যিনি সমাজের নানা বিচার-বিশ্লেষণ ও কটাক্ষের মুখোমুখি হন। তাঁর পোশাক, জীবনযাপন এবং সিদ্ধান্ত নিয়ে চারপাশের মানুষ নানা মন্তব্য করে। তবে মাধুরীর মতে, শুধু পুরুষ নয়, অনেক সময় নারীরাও একে অপরকে বিচার করেন। তাই ছবিটি আসলে সমাজের সেই অভ্যাসকেই তুলে ধরে। অভিনেত্রীর কথায়, পরিবর্তন দরকার গোটা সমাজের চিন্তাভাবনায়। ‘মা বহেন’ শুধু নারীদের গল্প নয়, এটি এমন এক বার্তা যা সবাইকে ভাবতে শেখায়। ছবিতে হাস্যরসের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

'ধুরন্ধর' এর সঙ্গে আমিশা তুলনা করলেন নিজের ছবির, কেন? 

বলিউড অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল তাঁর ছবি ‘গদর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সাফল্য নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ‘গদর: এক প্রেম কথা’ এবং ‘গদর ২’ মিলিয়ে যে সংখ্যক দর্শক প্রেক্ষাগৃহে ছবিগুলি দেখতে গিয়েছেন, তা নাকি রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ ছবির দুই পর্বের তুলনায় বেশি। ‘গদর’-এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে পুরনো দিনের স্মৃতি ভাগ করে আমিশা বলেন, এই ছবির জনপ্রিয়তা এখনও দর্শকদের মনে একই রকম রয়েছে। তাঁর মতে, শুধু বক্স অফিস আয় নয়, একটি ছবির আসল প্রভাব বোঝা যায় কত মানুষ হলে গিয়ে সেটি দেখেছেন তার মাধ্যমে। আমিশার কথায়, ‘গদর’-এর সাফল্য তাঁকে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসের একটি অংশ হতে সাহায্য করেছে। ছবিতে তাঁর ‘সাকিনা’ চরিত্র আজও দর্শকদের কাছে বিশেষভাবে মনে রাখা হয়।

শৈশবের ভয়াবহ স্মৃতির কথা জানালেন ববি 

বলিউড অভিনেতা ববি দেওল সম্প্রতি তাঁর শৈশবের এক ভয়াবহ স্মৃতি শেয়ার করেছেন, যা জড়িয়ে রয়েছে কুখ্যাত রঙ্গা-বিল্লা অপহরণ কাণ্ডের সঙ্গে। ১৯৭৮ সালের এই ঘটনা দেশজুড়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। এক সাক্ষাৎকারে ববি জানান, তাঁর এক স্কুল বন্ধুকে অপহরণ করেছিল রঙ্গা ও বিল্লা। সৌভাগ্যক্রমে সেই বন্ধু প্রাণে বেঁচে যায়। কিন্তু অপহরণকারীদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় ববির নাম উঠে আসায় তাঁর পরিবার ভীষণ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এরপর বাবা ধর্মেন্দ্র তাঁর নিরাপত্তার জন্য কঠোর নিয়ম তৈরি করেন। ববি বলেন, তাঁকে বাড়ির বাইরে বেরোতে দেওয়া হত না, এমনকি সাইকেল চালানোও শিখেছিলেন বাড়ির ভেতরেই। কলেজ জীবনেও তাঁর জন্য রাত ৯টার কার্ফু ছিল। অভিনেতার কথায়, সেই ভয় তাঁর ছোটবেলার স্বাধীনতাকে অনেকটাই কেড়ে নিয়েছিল। তবে পরিবারের ভালোবাসা ও সুরক্ষার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন।