সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় অ্যাওয়ার্ড শোতে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন কৃতি শ্যানন। 'তেরে ইশক ম্যায়' ছবিটির জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। একই বিভাগে মনোনীত ছিলেন ইয়ামি গৌতমও। 'হক' ছবির জন্য তিনি মনোয়ন পেয়েছেন। বক্স অফিসে 'হক' ছবিটি সেই অর্থে ব্যবসা না করলেও, অভিনেত্রীর অভিনয় নজর কেড়েছে দর্শকদের। প্রশংসা করেছেন সমালোচকরাও। তার জেরেই এই অ্যাওয়ার্ড শোতে ইয়ামিকে পুরস্কার না দিয়ে কৃতি শ্যাননকে পুরস্কার দেওয়ায় অনেকেই বিদ্রুপ, কটাক্ষ করেছেন। আর তেমনই একটি পোস্টে লাইক করেছেন 'হক' অভিনেত্রী। যেন এভাবেই তিনি সম্মতি জানিয়েছেন বিষয়টায়। তারপরই শুরু হয় শোরগোল। এবার গোটা বিষয়ে মুখ খুললেন খোদ ইয়ামি গৌতম।
এদিন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি পোস্ট শেয়ার করেন ইয়ামি গৌতম। সেখানে তিনি লেখেন, 'সম্প্রতি আমার নজর এসেছে যে আমি হয়তো এমন একটা রিলে লাইক করেছি যা অন্য একজন অভিনেতার জন্য অপমানজনক। আমরা রোজ রোজ বিভিন্ন। জিনিসে ট্যাগড হই। আর এটি ঘটেছিল একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান নিয়ে, যেমনটা অন্যান্য সময় হয়। কিন্তু যেটা চলছে সেটা একদমই ঠিক নয় এবং জেনে বুঝে করা হয়নি একেবারেই। যদি কিছু এমন ঘটেও থাকে সেটা তাহলে ভুল করে।'
ইয়ামি গৌতম এদিন আরও বলেন, 'আমি আমার জীবনে কখনও এই ধরনের সস্তার পিআর ট্যাক্টিক্স করিনি। আমি সবসময় আমার কাজে মন দিয়েছি এবং সামনের দিকে এগিয়ে চলেছি।' তিনি এদিন সংবাদমাধ্যমের তুলোধোনা করে লেখেন, 'ক্লিকবেটের যুগে, প্রতিটি সংবাদমাধ্যমের জন্য এমন একটা জিনিস নিয়ে হইচই ফেলা স্বাভাবিক। তাঁরা এটিকে চর্চার বিষয় করে তুলেছে। আশা করি তাঁরা বুঝবেন যে আমার রেপুটেশন এর থেকে অনেক ভাল। আমার কোনও পিআর টিম নেই। আমি আমার কাজে মন দিই সবসময়।'

প্রসঙ্গত ইয়ামি গৌতমকে শেষবার 'হক' ছবিতে দেখা গিয়েছে। সুপর্ণ ভার্মা ছবিটির পরিচালনা করেছিলেন। ইয়ামি গৌতমের বিপরীতে এই ছবিতে ইমরান হাশমিকে দেখা হয়েছিল। এছাড়া শিবা চাড্ডা ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়। ৭ নভেম্বর মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে 'ধুরন্ধর দ্য রিভেঞ্জ' ছবিটির প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ইয়ামি একে 'অসাধারণের চেয়েও বেশি কিছু' বলে বর্ণনা করেছেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যেই ছবিটি দেখে ফেলেছেন এবং দেখার পর তিনি এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন যে আদিত্যকে সঙ্গে সঙ্গে কিছু বলার ভাষাও খুঁজে পাননি। ইয়ামির কথায়, "আমি সিনেমাটি দেখার পর স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আদিত্যর এই কাজ প্রতিটি ভারতীয়কে গর্বিত করবে। ও নিজের সর্বস্ব দিয়ে এই সিনেমাটি তৈরি করেছে। ধুরন্ধর ২ এমন একটা ছবি, যা একবার দেখলে দর্শকের সারাজীবন মনে থেকে যাবে।"
