আগুনের চুল্লির উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে পার্বতী।‌ সোমকে বাঁচানোর তাগিদে নিজের সবটুকু ভুলেছে সে। মহাদেবের আরাধনায় কঠিন ব্রত পালন শুরু করে পার্বতী। এদিকে আইসিইউ-তে সোমের অবস্থার কোনও উন্নতি হয় না। পার্বতী কি পারবে সোমকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে? 

 

কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল, সোমের প্রতি পার্বতীর অবিশ্বাস দিনে দিনে বেড়েই চলেছে।তাই সে সোমকে ছেড়ে চিরকালের মতো চলে যাওয়ার কথা বলে‌‌। সোম বাধা দিলেও পার্বতী তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে‌। এদিকে, তাদের কথার মাঝেই আড়াল থেকে একজন বিষ মাখানো তির ছুড়ে মারে সোমের দিকে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সে। 

 

সোমকে এই অবস্থায় দেখে ভয়ে চিৎকার করে ওঠে পার্বতী।‌ সে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যায় সোমকে। কিন্তু প্রাথমিক চিকিৎসার পরেই চিকিৎসক জানায়, সোমকে একমাত্র ভগবান ছাড়া কেউ বাঁচাতে পারবে না। পার্বতী তখনই ছুটে যায় মহাদেবের মন্দিরে‌। শাড়ির আঁচল পেতে শিবের কাছে স্বামীর প্রাণভিক্ষা চায়। মহা শিবরাত্রির দিন সোমকে কি বাঁচাতে পারবে পার্বতী? নাকি এখানেই শেষ হবে দু'জনের মান-অভিমানের পথ চলা? প্রোমো দেখে এমনই প্রশ্ন ঘুরছে দর্শকের মনে। 

কিছুদিন আগেই এই ধারাবাহিকের গল্পে দেখানো হয়েছিল পার্বতীর বিশ্বাস ভেঙেছে সোম! তাদের এতদিনের ভালবাসা এক লহমায় শেষ হয়ে যেতে বসেছে? এমন ঘটনার আঁচ পেয়ে বেজায় চিন্তায় পড়েছিলেন অনুরাগীরা। দেখা গিয়েছিল একজন সদ্য বিবাহিতা মেয়ে এসে দাঁড়ায় সোম-পার্বতীর বাড়ির দরজায়। সে নিজেকে সোমের স্ত্রী হিসেবেই পরিচয় দেয়। 

 

ওই মেয়েটির মুখে এমন কথা শুনে অবাক হয়ে যায় পার্বতী।‌ সে সোমকে জিজ্ঞেস করে কীভাবে সোম দ্বিতীয় বিয়ে করল? যদিও সোম জবাবে জানায় এই বিয়ে সে করেনি। ওই মেয়েটির সিঁথির সিঁদুর তার দেওয়া নয়। এদিকে, পার্বতী সোমকে অবিশ্বাস করে। আর সেই অবিশ্বাস থেকেই তৈরি হয় তাদের মধ্যে দূরত্ব। কিন্তু এবার মৃত্যুশয্যায় সোম, সব সত্যি কি এবার উন্মোচন হবে? পার্বতী আর সোমের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান কি হবে? এসবের মাঝেই বিপদে সোম।

 

এর আগে যদিও পার্বতী বিপদে পড়লে সোম তাঁকে উদ্ধার করে এনেছিল। এবার পার্বতীর পালা। স্বামীর প্রাণ রক্ষা করতে এখন মরিয়া সে। তাই গল্পের নতুন মোড়ে টানটান উত্তেজনাপূর্ণ পর্ব চলছে। সময় বদলেছে এই ধারাবাহিকের সম্প্রচারের। এখন প্রতিদিন রাত নটায় জি বাংলার পর্দায় সম্প্রচারিত হচ্ছে 'দাদামণি'।