মেডিনেস্টে মৃত্যু মিছিল! নন্দিনী ও দময়ন্তীর চক্রান্তে প্রাণ হারালো বহু রোগী। তারা প্রত্যেকেই আদি-আনন্দীর তত্ত্বাবধানে ছিল। এদিকে, ষড়যন্ত্রকারীদের মিথ্যে বয়ানে গ্রেফতার হবে আদি-আনন্দী! কী হবে এবার? মোড় ঘোরানো বিরাট চমক আসছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'আনন্দী'তে। 

 

গল্পের নিত্য নতুন মোড়ে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছে এই ধারাবাহিক। এই মেগায় আদি-আনন্দীর জুটিকে দারুণ ভালবাসা দিয়েছেন দর্শক। তাদের মধ্যে বোঝাপড়াটা যেন চিরকালীন। তাদের সম্পর্কের মাঝে শত ঝড় এলেও দু'জন দু'জনের প্রতি বিশ্বাস হারায় না। এদিকে, আদিদের পরিবারে এসেছে এক ভয়ঙ্কর বিপদ। নন্দিনী ফিরে এসেছে তাদের পরিবারে। সে এসে জানায় দময়ন্তী আসলে আদির বাবারই অবৈধ সন্তান। চক্রান্ত করে ডিএনএ টেস্টেও প্রমাণ করে তারা যে দময়ন্তী আদিদের পরিবারের একজন। 

 


এই ঘটনায় একেবারে ভেঙে পড়ে আদির বাবা। আদির মা এবং বাড়ির সবাই ভুল বোঝে তাকে। বাবাকে ভুল বুঝে দূরে সরিয়ে দেয় আদি। তাই নিজের মেয়ে উমাকে আরও বেশি করে আঁকড়ে ধরতে চায় সে। আদির এই মনের অবস্থা বুঝতে পেরে তার পাশে থাকে আনন্দী। কিন্তু শুধু সম্পত্তি ভাগ নিয়েই চুপ করে থাকে না নন্দিনী। সে দময়ন্তীকে দিয়ে মেডিনেস্টের সুনাম ধ্বংস করার চেষ্টা করে। 

 

তাই দময়ন্তী রোগীদের শরীরে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে। একে একে মারা যায় মেডিনেস্টের রোগীরা। ফলে বিপদ আরও বাড়ে আদি-আনন্দীর। এদিকে, আবার পুলিশি জটে জড়িয়ে পড়ে তারা। কীভাবে এই পরিস্থিতিল মোকাবিলা করবে আদি-আনন্দী? সেই উত্তর জানার অপেক্ষায় দর্শক।


এদিকে, ছোট্ট উমা মা-বাবাকে ছাড়া মোটেই থাকতে পারে না। আদি-আনন্দী গ্রেফতার হলে উমাকে কীভাবে সামলাবে তার বাড়ির লোক? নন্দিনী আর দময়ন্তীর মুখোশ খুলবে কবে? আসল সত্যিটা কি সবার সামনে আসবে? জানতে হলে নজর রাখতে হবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে। 

 

প্রসঙ্গত, গল্পের মোড়ে নানা টুইস্ট আসলেও টিআরপিতে তেমন একটা ফল করতে দেখা যায় না এই ধারাবাহিককে। প্রথমদিকে যদিও এক থেকে দশের মধ্যে থাকত এই মেগা। তবে এখন নতুন গল্পের ভিড়ে আর জায়গা করতে পারে না আদি-আনন্দীর গল্প। কিন্তু নতুন এই টুইস্টে কী টিআরপিতেও প্রভাব পড়বে? এখন সেটাই দেখার।