সোম-পার্বতীর জীবনে বিরাট ঝড় আসতে চলেছে। পার্বতীর বিশ্বাস ভাঙবে সোম! তাদের এতদিনের ভালবাসা এক লহমায় শেষ হয়ে যাবে? সদ্য প্রকাশ্যে এসেছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'আমাদের দাদামণি'র নতুন প্রোমো। সেখানেই এমন ঘটনার আঁচ পেয়ে বেজায় চিন্তায় পড়েছেন অনুরাগীরা। প্রোমোয় দেখা যাচ্ছে একজন সদ্য বিবাহিতা মেয়ে এসে দাঁড়ায় সোম-পার্বতীর বাড়ির দরজায়। সে নিজেকে সোমের স্ত্রী হিসেবেই পরিচয় দেয়। 

 


ওই মেয়েটির মুখে এমন কথা শুনে অবাক হয়ে যায় পার্বতী।‌ সে সোমকে জিজ্ঞেস করে কীভাবে সোম দ্বিতীয় বিয়ে করল? যদিও সোম জবাবে জানায় এই বিয়ে সে করেনি। ওই মেয়েটির সিঁথির সিঁদুর তার দেওয়া নয়। এদিকে, সোমের মা এসে বলে সোম তো সমাজের রক্ষাকর্তা, তাহলে এই অবিচার সে কীভাবে সহ্য করবে? এদিকে, পার্বতী সোমকে অবিশ্বাস করে। তাহলে কি এবার ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হবে সোম-পার্বতীর মধ্যে? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে। 

এদিকে, গল্পে কিছুদিন আগেই দেখানো হয়েছিল রত্নার বিয়ে হতেই এক ব্যক্তি বিয়ের আসরে ছুরি হাতে আসে। আলো নিভিয়ে সেই ছুরি সোজা বসিয়ে দেয় রত্নার স্বামীর বুকে। বোনের বরের মরদেহ কোলে নিয়ে বসে পড়ে সোম। কান্নায় ভেঙে পড়ে রত্না। কান্নাকাটি শুরু করে দেন বাকিরাও। কিন্তু এই গোটা ঘটনার জন্য সোমের মা পার্বতীকেই দায়ী করে। পার্বতীকে বলে রাঘব বোয়ালদের সঙ্গে লড়াই করে কখনও জেতা যায় না। তাই পার্বতী যেহেতু সত্যের জন্য লড়াই করছিল সেটার প্রতিশোধ নিতেই দুষ্কৃতীরা রত্নার স্বামীকে খুন করল। তার মেয়ে বিধবা হওয়ার দায় পার্বতীর। এমন অভিযোগে স্তম্ভিত হয়ে যায় পার্বতী, সোম দু'জনেই।

এদিকে, বিয়ের মণ্ডপেই রত্না তার স্বামীর মৃত্যু মেনে নিতে পারে না। সে বিধবার বেশে মশাল হাতে নিয়ে পার্বতীর বাপের বাড়িতে আসে সব শেষ করে দেবে বলে। কিন্তু সেই বাড়িতে বউ হয়ে রয়েছে তাদের আরও এক বোন রানি। রানি যখন দেখে রত্না তাণ্ডব করছে তার শ্বশুরবাড়িতে এসে তখন সে রুখে দাঁড়ায়। জানায় যে, সবটা ধ্বংস করতে হলে রত্নাকে তার মৃতদেহের উপর দিয়ে যেতে হবে। কিন্তু দুইবোনের এই বিবাদ মেটায় সোম। সবদিক সামাল দিতে গিয়ে এবার সোমের জীবনেই বড় বিপদ আসতে চলেছে। কী করবে সে এবার? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক।