টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?
'ট্রমা'য় টাইগার!
বিমানে চড়লেই বুক ঢিপঢিপ, কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম! যে অভিনেতা বড়পর্দায় অবলীলায় উঁচু বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দেন কিংবা শয়ে শয়ে গুণ্ডাদের একা হাতে ধোলাই করেন, সেই টাইগার শ্রফই কি না মরণভয়ে কাঁপছেন? শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের এক ভীতির কথা জনসমক্ষে এনেছেন জ্যাকি-পুত্র। অভিনেতা জানিয়েছেন, তিনি তীব্র ‘অ্যারোফোবিয়া’ বা আকাশপথে ভ্রমণের আতঙ্কে ভুগছেন। আর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এবার পেশাদার থেরাপির সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবছেন তিনি। টাইগার জানান, আগে বিমানে যাতায়াত নিয়ে খুব একটা সমস্যা না থাকলেও, গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি বদলেছে। বিশেষ করে একটি ‘ভয়াবহ’ বিমানযাত্রার অভিজ্ঞতা তাঁর এই ট্রমা তৈরি করে দিয়েছে।
এখনও সুস্থ হননি অলকা
গায়িকা অলকা যাজ্ঞিকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে ফে্য উদ্বেগের ছায়া পড়েছে বিনোদন জগতে। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন যে, এক বিরল শ্রবণজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি। এই অসুস্থতার কারণে বর্তমানে তিনি কোনও নতুন গানের কাজ গ্রহণ করতে পারছেন না। গত বছর হঠাৎ করেই অলকার শ্রবণশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা ধরা পড়ে। একটি বিমান যাত্রা শেষে নামার পর তিনি লক্ষ্য করেন যে তিনি কানে কিছুই শুনতে পাচ্ছেন না। চিকিৎসকদের মতে, এটি একটি বিরল সেন্সরি-নিউরাল নার্ভ লস, যা সাধারণত কোনও ভাইরাল সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। গত কয়েক মাস ধরে টানা চিকিৎসা ও থেরাপি চললেও, তাঁর শ্রবণশক্তি এখনও স্বাভাবিক ছন্দে ফেরেনি।
জলে ডুবে যাচ্ছিলেন লারা দত্ত!
অভিনেত্রী লারা দত্ত তাঁর কেরিয়ারের শুরুর দিকের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিয়েছেন। প্রাক্তন এই মিস ইউনিভার্স জানিয়েছেন, ২০০৩ সালে তাঁর অভিনীত সুপারহিট সিনেমা ‘আন্দাজ’-এর শুটিং চলাকালীন তিনি আক্ষরিক অর্থেই মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন। লারা জানান, ছবির একটি বিশেষ রোমান্টিক গানের দৃশ্যের শুটিং চলছিল দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তাল সমুদ্র সৈকতে। গল্পের প্রয়োজনে তাঁকে একটি পাথরের ওপর দাঁড়িয়ে পোজ দিতে হচ্ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, হঠাৎ সমুদ্রের একটি বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়ে তাঁর ওপর এবং তিনি ভারসাম্য হারিয়ে গভীর জলে পড়ে যান। লারা স্বীকার করেছেন যে, সেই সময় তিনি সাঁতার জানতেন না। ফলে জলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি পাথরের মতো নিচের দিকে তলিয়ে যেতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে লারার নাভিশ্বাস ওঠার মতো অবস্থা হয়। তিনি জানান, সেই সময় আতঙ্কে তাঁর শরীর অবশ হয়ে আসছিল এবং তিনি বুঝতেই পারছিলেন না কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন। ঠিক সেই সঙ্কটকালীন মুহূর্তে ‘দেবদূতের’ মতো এগিয়ে আসেন তাঁর সহ-অভিনেতা অক্ষয় কুমার। লারা যখন মাঝসমুদ্রে তলিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন অক্ষয় নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে ঝাঁপ দেন। অক্ষয়ের তৎপরতা ও সাহসিকতার কারণেই নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পান অভিনেত্রী।
















