সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়। বর্তমানে কেমন আছেন? বিপদ কি সম্পূর্ণ কেটেছে? কী জানালেন তাঁর স্ত্রী তথা অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়? 

সুদীপা চট্টোপাধ্যায় এদিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "আগের তুলনায় দেখে মনে হচ্ছে ভাল। কিন্তু ডাক্তাররা বলছেন আজকের রাত না কাটলে বিপদ সম্পূর্ণ কেটেছে সেটা বলা যাবে না। আজ রাতে যদি কিছু না হয় তাহলে বলা যাবে যে উনি এই ধাক্কা সামলে উঠেছেন। তার আগে আমরা কিছুই বলতে পারব না, কারণ আজ ভাল আছে বলার পর কাল কিছু হলে আপনারা কিন্তু আমাদের ছেড়ে দেবেন না।" 

তিনি এদিন এও বলেন, "স্ট্রোক কখনও না জানিয়ে আসে না। ইঙ্গিত দেয়। আমরা সেগুলো ধরতে পারি না। অগ্নিদেবের সময়ই যেমন দু'দিন ধরে মাথা ব্যথা হয়েছিল, শিরা ফুলে যাচ্ছিল। মাইগ্রেন মাইগ্রেন করে আমরা ফেলে রেখেছিলাম। তারপরে এই বিপদ ঘটল। যখন ও বাঁদিকের চোখে কিছু দেখতে পারছিল না, দাঁড়াতেই পারছিল না, তখন আমরা বুঝলাম যে কিছু একটা হয়েছে।" তবে তিনি জানিয়েছেন বর্তমানে আইসিইউতে থাকলেও স্থিতিশীল আছেন অগ্নিদেব। কিন্তু এখনই তাঁকে হাসপাতালে থেকে ছাড়া হবে না। 

সুদীপা তাঁর অনুরাগীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই বিপদে তাঁর পাশে থেকে প্রার্থনা করার জন্য। তাঁর কথায় এই প্রার্থনা তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে। তবে অগ্নিদেব একা নন, তাঁর দিদিও একই হাসপাতালে ভর্তি আছে বলে এদিন জানালেন সুদীপা। সবটা মিলিয়েই এই সময়টা তাঁদের জন্য বেশ কঠিন বলে জানালেন। 

কিন্তু কেন এমন হল? সুদীপা চট্টোপাধ্যায় জানালেন জিতু কামালকে নিয়ে তাঁরা চোর ছবির শুটিং করছিলেন। আদতে ১২ দিন হওয়ার কথা ছিল শুটিংটি। কিন্তু অভিনেতার ডেট নিয়ে সমস্যা হওয়ায় দিন রাত এক করে ৯ দিনে শুট শেষ করা হয়। দিনরাত জেগে এডিটিং চলে। অভিনেত্রীর অনুমান সেই স্ট্রেস থেকেই হয়তো এমনটা হয়েছে। 

তবে অগ্নিদেব বর্তমানে কথা বলছে, সব ঠিক আছে বলেই জানিয়েছেন সুদীপা। শুধু চোখের দিকটা ব্যথা আছে। এই বিষয়টা তিনি চিকিৎসকদের উপরেই ছেড়েছেন।