মাঝরাস্তায় হেনস্থার শিকার অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ মল্লিক। ঘটনাটা ঘটেছে শনিবার রাতে, যখন অভিনেত্রী শুটিং শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন।‌ সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় সেই ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন শ্রীময়ী। তিনি জানান, শহরে এখন বিভিন্ন জায়গায় নাকা চেকিং চলছে। আর সেখানেই বিপাকে পড়েছিলেন তিনি।

শ্রীময়ী ভিডিওতে বলেন, "এখন বিভিন্ন জায়গায় নাকা চেকিং হচ্ছে সবাই জানে। সেরকমই একটা পয়েন্টে আমার গাড়ি দাঁড় করান একজন পুলিশ আধিকারিক। তাঁর নামটা এই মুহূর্তে আমার মনে পড়ছে না। আজ কাঞ্চনের গাড়িটা নিয়েই বেরিয়েছিলাম, সেই সময় উনি আমার ড্রাইভারকে গাড়ি সাইড করতে বলেন। তারপর গাড়ি চেকিং করবেন বলে জানান। আমি বললাম এটা তো প্রাইভেট গাড়ি, শুটিং থেকে ফিরছি, অবৈধ কিছু নেই। উনি বললেন, এটা ওনার ডিউটি, তাই চেক করতেই হবে। আমি বাধা দিইনি।"

শ্রীময়ী আরও বলেন, "কিন্তু বিষয়টা এখানেই থেমে থাকেনি। উনি গাড়ি চেকিং-এর পর শুধুমাত্র হেনস্থা করবেন বলে আমার ব্যাগ খুলেও চেক করতে শুরু করেন। সেখানে বড় মেকআপ পাউচ ছিল, উনি অন্য একজন অফিসারকে বলছেন দেখ তো এটা খুলে পাঁচ-ছয় হাজার টাকা নিশ্চয়ই পাবি। এটা কী ধরনের ব্যবহার? একটা মেয়ের ব্যাগে যাবতীয় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, স্যানিটারি ন্যাপকিন, ইনার গার্মেন্টস অনেককিছু থাকে, উনি রাস্তার মাঝে সমস্ত কিছু খুলে খুলে দেখছেন। ওনার কাজ চেকিং করা, উনি শুধু ব্যাগ খুলে কেন, আমার শরীরেও চেক করতে পারতেন কিন্তু মহিলা পুলিশের সহযোগিতায় হত সেটা। তখন একটাও মহিলা কনস্টেবল ছিলেন না, আর একজন পুরুষ হয়ে উনি আমার সমস্ত জিনিস নিয়ে এভাবে হেনস্থা করলেন।"

শ্রীময়ীর কথায়, "কেন হবে এটা? ওনার বাড়িতেও তো মা, বউ, মেয়ে, বোন‌ কেউ তো আছেই। তাদের সঙ্গে এটা হলে কেমন লাগত? খুবই খারাপ, আনফর্চুনেট একটা ঘটনা। বাড়িতে এসেও ধাতস্ত হতে আমার কিছুটা সময় লেগেছে। তাই বাধ্য হয়ে ভিডিওটা করে জানালাম।"