৫ জানুয়ারি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির জন্মদিন। কর্মব্যস্ত রাজনৈতিক জীবনের মাঝেই শুরু হল আরও এক নতুন বছরের সূচনা। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় থাকলেও, শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর টান বরাবরের। কাজের ফাঁকে গান গাওয়া, ছবি আঁকা যেমন তাঁর নিত্য অভ্যাস, তেমনই নিয়মিত খোঁজ রাখেন টেলিভিশনের ধারাবাহিকের দুনিয়ারও। এই বিশেষ দিনে জন্মদিনের শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দেন তাঁকে তাঁর স্নেহের শিল্পী ও অনুরাগীরা।

সৌমিতৃষা কুণ্ডু থুড়ি ছোটপর্দার ‘মিঠাই’ চরিত্রে অভিনয় করে আগাগোড়া মমতার অন্যতম প্রিয় পাত্রী হয়ে উঠেছেন। তাঁর সাবলীল অভিনয় ও পর্দায় উপস্থিতির প্রশংসা একাধিকবার শোনা গিয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর মুখেই। তাঁর জন্মদিনে অভিনেত্রী বললেন, “অনেক অনেক ভালবাসা। দিদি আমাদের রক্ষক। মেয়েদের অনুপ্রেরণা। উনি আমাদের মায়ের মতো। আমি চাই উনি যাতে সব সময় সুস্থ থাকেন। উনি ভাল থাকলেই আমরা ভাল থাকতে পারব। ছোট থেকেই আমি ওঁকে খুব শ্রদ্ধা করি। সব সময় প্রার্থনা করি উনি যাতে ভাল থাকেন। আসলে উনি ভালবাসা আদায় করে নেওয়ার মতোই একজন মানুষ। শিল্পীদের উনি যা সম্মান দিয়েছেন, এরকম সম্মান হয়তো আগে কখনও পেতাম না। ভবিষ্যতেও পাব না।”

মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম স্নেহভাজন শিল্পী তিয়াসা লেপচা। বিভিন্ন সরকারি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাঁকে প্রিয় ‘দিদি’-র সঙ্গেই প্রায়শই দেখা যায়। শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, সুযোগ পেলেই ধারাবাহিকের গল্প, চরিত্র ও কাজের খুঁটিনাটি নিয়েও দু’জনের মধ্যে চলে আন্তরিক আলোচনা। ছোটপর্দা কৃষ্ণকলির কথায়, “দিদিকে আমার তরফ থেকে অনেক শুভেচ্ছা। উনি যাতে খুব সুস্থ থাকেন। ভাল থাকেন। ওঁর মনের সব ইচ্ছা যাতে পূরণ হয়।”

কখনও সুযোগ পেলে কী উপহার দেবেন মুখ্যমন্ত্রীকে? প্রশ্ন শুনেই থমকে যান তিয়াশা। খানিক ভেবে উত্তর, “কখনও যদি ওঁকে কিছু দেওয়ার সুযোগ পাই, ফুল দেব। কারণ এই ছোট ছোট জিনিসগুলো মানুষকে খুব আনন্দ দেয়। আমি চাইব ওঁর জীবনটাও যাতে ফুলের মতোই সুন্দর হয়।”

উপহার দেওয়া সুযোগ পেলে হাতছাড়া করবেন অভিনেত্রী দেবলীনা কুমারও। তাঁর কথায়, “দিদি গান খুব ভালবাসেন। তাই কখনও ওঁকে কিছু দিতে পারলে হারমোনিয়াম দেব।” অভিনেত্রী জানান, মুখ্যমন্ত্রীর যাপন তাঁকে প্রেরণা দেয়। এগিয়ে যাওয়ার সাহস দেয়। তিনি বলেন, “দিদির অদম্য জীবনীশক্তি দেখে আমি অনুপ্রাণিত। এই বয়সেও উনি যেভাবে কাজ করে চলেছেন, তা শেখার মতো। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগেও উনি মানুষ হিসাবে যেমন ছিলেন, আজও সেরকমই আছেন। উনি আমাদের মাটির কাছাকাছি থাকতে শেখান।”