জয়ন্ত ও শান্তিলতার ফুলশয্যায় বেজায় বিপদ! সম্প্রতি 'সংসারের সংকীর্তন' ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো দেখে হেসে খুন দর্শক মহল। স্টার জলসায় সদ্য শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিক। ইতিমধ্যেই দর্শকের নজর কেড়েছে মানালি মনীষা দে ও সব্যসাচী চৌধুরীর জুটি। সঙ্গে দর্শকের মন জয় করেছে শুভাশিস মুখার্জি ও পরান বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিনয়। সদ্য প্রকাশ্যে আসা ধারাবাহিকের নতুন প্রোমোয় দেখা যাচ্ছে, শান্তি ও জয়ন্তর ফুলশয্যা হচ্ছে। জয়ন্ত শান্তিকে বলে, সে স্ত্রী হিসেবে তাকে পেয়ে ধন্য। মনের মানুষ চিনতে ভুল করেনি সে। 

দু'জন কাছাকাছি আসতেই দরজায় কারা যেন কড়া নাড়ে। জয়ন্ত উঠে দেখে বাড়ির অনেকেই তাদের ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে। জয়ন্তর কাকিমা তাকে জানায়, সকালে বংশী মানে জয়ন্তর বাবা ব্রত করেছিল। সেই ব্রত অনুযায়ী নতুন বর-বউকে এক মাস আলাদা থাকতে হবে। এই কথা শুনে মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে শান্তি ও জয়ন্তর। জয়ন্ত সাহস করে বাবার কাছে যায়। জিজ্ঞেস করে, এই ব্রত পালনের কারণ কী? বংশী ছেলেকে জানায়, এটাই কূল দেবতার ইচ্ছে।

কিন্তু এমন ইচ্ছে কূল দেবতার হয়েছে সেটা সে কীভাবে জানলো? এই প্রশ্ন করতেই জয়ন্তকে বংশী পাল্টা জানায়, সে-ই বা কী করে জানলো কূল দেবতার এমন ইচ্ছে হয়নি? বাবা যে নিজের সিদ্ধান্তে অনড় তা বুঝতে পারে জয়ন্ত। ফলে শান্তির থেকে আলাদা হয়ে যায় সে। ফুলশয্যার দিনই শ্বশুরের এমন কাণ্ড দেখে এবার কী করবে শান্তি? উত্তর মিলবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।

প্রসঙ্গত, এই ধারাবাহিকের গল্পে ঘটি বাড়ির মেয়ে 'শান্তিলতা'র চরিত্রে দেখা যাচ্ছে মানালিকে। তাঁর বিপরীতে বাঙাল বাড়ির ছেলে 'জয়ন্ত' হিসেবে রয়েছেন সব্যসাচী। সব্যসাচীর বাবা শুভাশিস। ঘটি বাড়ির মেয়েকে তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারে না। তাই নানা ষড়যন্ত্র করে বউমাকে শায়েস্তা করার চেষ্টা করে সে। এমন অবস্থায় বাঙাল ঘটির এই দ্বন্দ্ব এবং পরীক্ষা সামলে কী করে শান্তি সংসার করে সেটাই দেখার।