সমাজ মাধ্যমে অভিনেতা অভিনেত্রীদের নিয়ে কটাক্ষ করার বিষয়টি নতুন কিছু নয়। কখনও তাঁদের উচ্চারিত সংলাপ নিয়ে কখনও আবার তাঁদের সাজ পোশাক নিয়ে কটাক্ষ করতে দেখা যায় বিভিন্ন জনকে।  আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে কারণও থাকে না।  কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব কটাক্ষের জবাব দিলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় তারকাদের চুপ করেই থাকতে। তবে সে তালিকায় যে সামান্থা রুথ প্রভু পড়েন না, সেকথা বলাই বাহুল্য। 


সামান্থার সোজা জবাব, প্রশংসা যেমন তাঁকে প্রভাবিত করে না, তেমনই ট্রোলও নয়। তবে নেতিবাচকতা যদি তাঁর ব্যক্তিগত পরিসরে ঢুকে পড়ে, সেক্ষেত্রে তিনি সেই ট্রোলারকে ব্লক করতেও একমুহূর্ত দ্বিধা করেন না। তাঁর কথায়, নিজের মানসিক জায়গাটিকে  স্থির রাখা যেমন জরুরি, তেমনই নিজের ডিজিটাল পরিসরও সুরক্ষিত রাখা প্রয়োজন।

শুধু ট্রোল নয়, বর্তমান সময়ের সোশ্যাল মিডিয়া সংস্কৃতির আরেক বড় সমস্যা -'FOMO' বা ‘ফিয়ার অফ মিসিং আউট’-এর কথাও বলেন তিনি। ছোট ছোট ভিডিওর ভিড়ে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠছে বলে স্বীকার করেন অভিনেত্রী। সেই কারণেই এখন তিনি নিয়ম করে দীর্ঘ বই পড়ছেন, এক ঘণ্টার পডকাস্ট শুনছেন, এমনকী ইচ্ছাকৃতভাবে একঘেয়েমিকে জায়গা দিচ্ছেন, মনকে আবার প্রশিক্ষণ দিতে।

ব্যক্তিগত জীবনেও গত বছর বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০২৫ সালে জনপ্রিয় পরিচালক রাজ নিদিমোরু-র সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। এ বছর প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ভবনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি, যেখানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ বহু বিশিষ্ট অতিথি। সেই মুহূর্ত ভাগ করে নিয়ে সামান্থা লেখেন, একসময় এমন স্বপ্ন দেখার সাহসও ছিল না, অথচ আজ বাস্তবে তা সম্ভব হয়েছে, এর জন্য তিনি কৃতজ্ঞ।

কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় কাটছে তাঁর। সামনে মুক্তি পেতে চলেছে তাঁর ছবি মা  ইন্তি বাঙ্গারাম, যা ১৫ মে ২০২৬ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। পাশাপাশি তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন ফ্যান্টাসি সিরিজ রক্ত ব্রহ্মাণ্ড: দ্য ব্লাডি কিংডম-এর জন্য, যেখানে তাঁর সঙ্গে দেখা যাবে আদিত্য রায় কাপুর-কেও।

 

&t=313s

 

সামান্থার এই স্পষ্ট বার্তা যেন আজকের ডিজিটাল দুনিয়ায় এক বড় শিক্ষা - নিজের মানসিক শান্তি রক্ষা করা কখনওই বিলাসিতা নয়, প্রয়োজন।