সংবাদসংস্থা মুম্বই: টিনসেল টাউনে খবর অফুরান। বিনোদনের সমস্ত খবর জানতে যদি চান, চোখ রাখুন নজরে বিনোদনে। জেনে নিন সারাদিনের গরমা গরম খবর কী?
নেপোটিজম বিতর্কে বার্তা রণদীপ হুডার
বলিউডে স্বজনপোষণ নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। তারকা-সন্তানেরা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পান, এই অভিযোগ নতুন কিছু নয়। এবার এই বহুল চর্চিত বিষয়ে নিজের স্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত মতামত জানালেন অভিনেতা রণদীপ হুডা। তাঁর মতে, প্রথম ছবির সুযোগ পাওয়া সহজ হতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে গেলে যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, তা হল প্রতিভা এবং দর্শকদের সামনে সঠিক ‘এক্সপোজার’। রণদীপ নিজে একজন বহিরাগত হিসেবে বলিউডে নিজের জমি তৈরি করেছেন। দীর্ঘ কেরিয়ারে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের ভালবাসা অর্জন করেছেন। নেপো-কিডদের নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি কোনও রকম রাখঢাক না করেই আসল সত্যটা তুলে ধরেছেন।
ধর্মেন্দ্রর স্মৃতিতে আবেগপ্রবণ ববি দেওল
ববি দেওলের সঙ্গে বরাবরই পরিবারিক মানুষ। বিশেষ করে বাবা ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউডের 'হিম্যান'-কে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না ববি। লাইভ ক্যামেরার সামনেই বাবার পুরনো দিনের কথা মনে করে কেঁদে ফেললেন তিনি। অভিনেতা জানান, বাবা হিসেবে ধর্মেন্দ্র যেমন কড়া শাসন করতেন, তেমনই তাঁর রাগের পেছনে লুকিয়ে থাকত ভালবাসা। ববি আরও জানান যে, ধর্মেন্দ্র কাজের মাঝেও সবসময় সন্তানদের নিয়মকানুনের মধ্যে বড় করতে চেয়েছিলেন।
পথকুকুরদের বাঁচাতে উদ্যোগ সোনু সুদের
করোনার সময় পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে যিনি দেশবাসীর মন জয় করেছিলেন, এবার সেই সোনু সুদ গর্জে উঠলেন প্রাণীদের অধিকার রক্ষায়। সম্প্রতি পঞ্জাব সরকারের পক্ষ থেকে রাস্তাঘাট তথা পাবলিক প্লেস থেকে পথকুকুরদের সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের পরই নেটপাড়ায় পশুপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা যায়। এই আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অত্যন্ত আবেগঘন এবং দীর্ঘ পোস্ট শেয়ার করেছেন সোনু সুদ। অভিনেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, জোর করে রাস্তা থেকে কুকুর সরিয়ে দেওয়া বা তাদের খাঁচায় বন্দি করা এই সমস্যার কোনও স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। সোনু দেশবাসীর কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, "দামি বিদেশি ব্রিডের কুকুর না কিনে, আমাদের চারপাশের এই রাস্তার অসহায় কুকুরগুলোকে ভালবেসে নিজেদের বাড়িতে দত্তক নিন। ওরাও আমাদের সমাজের অংশ, ওরাও একটু ভালবাসা আর নিরাপদ মাথা গোঁজার ঠাঁই চায়।"
















