বাংলার ঘরে ঘরে ‘স্মার্ট ইলেকট্রিক মিটার’। আধুনিক এই প্রযুক্তি ঘিরে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন অনেক- পুরনো মিটারের সঙ্গে তফাত কোথায়, আর এতে খরচ কমবে তো?
2
10
বিষয়টি আর কিছুই নয়, মোবাইলের মতো ‘আগে রিচার্জ, পরে বিদ্যুৎ’। মনে রাখা জরুরি, রিচার্জের পুরোটাই ইউনিটের দরুন জমা হয় না।
3
10
বিদ্যুৎ ব্যবহার হোক বা না হোক, নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিনের একটা ‘ফিক্সড চার্জ’ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাটতেই থাকে। তাই কম টাকা রিচার্জ করলে দ্রুত ব্যালেন্স ফুরিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।
4
10
যেভাবে কাজ করে এই মিটার -মিটারের সেন্সর ভোল্টেজ মেপে প্রতি মুহূর্তে বিদ্যুতের নিখুঁত হিসাব রাখে।
5
10
ওয়্যারলেস প্রযুক্তির (৪জি/৫জি) মাধ্যমে রিডিং সরাসরি পৌঁছায় বিদ্যুৎ সংস্থার সার্ভারে। ফলে কর্মীদের আর বাড়ি বাড়ি এসে রিডিং নেওয়ার ঝক্কি থাকবে না।
6
10
তথ্য বিশ্লেষণ করে তৈরি হয় সঠিক বিল। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কোন যন্ত্রে কত বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে, তা প্রতি মুহূর্তে মেপে নেওয়া যাবে।
7
10
ফলে অপচয় রুখে পকেটের সাশ্রয় করা সহজ হবে। পাশাপাশি, কাল্পনিক বিলের আশঙ্কা একেবারেই থাকবে না- ঠিক যতটুকু খরচ, ততটুকুরই মূল্য মেটাতে হবে।
8
10
এমনকী লাইনে গোলযোগ হলেও মিটার নিজেই সংস্থাকে সংকেত পাঠাবে, ফলে দ্রুত মেরামত সম্ভব।
9
10
প্রথম দফায় রাজ্য সরকার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বাড়িতে এই মিটার বসানো বাধ্যতামূলক করেছে। সামান্য সচেতনতা বাড়ালেই এই নতুন প্রযুক্তি আমজনতার দুশ্চিন্তা কমাবে এবং বিদ্যুৎ বিলেও রাশ টানবে।
10
10
প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কিছুদিন আগেই ঘোষণা করেছেন, স্মার্ট মিটার বসানো বাধ্যতামূলক নয়৷