একসময় তৃণমূলের সাংসদ। এখন আপাতত রাজনীতি থেকে সরে এসে পুরোপুরি আলোয়, ক্যামেরায়, আর নিজের ছন্দে। ১১ জানুয়ারি ৩৬ বছরে পা দিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। আর জন্মদিন মানেই যে তাঁর কাছে নিছক কেক-কাটার আনুষ্ঠানিকতা নয়, তা প্রমাণ করে দিল এ বছরের উদ্‌যাপনও।

মধ্যরাত থেকেই শুরু হয় হইহই। ইন্ডাস্ট্রির ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে একের পর এক কেক কেটে বিশেষ দিনটি উদযাপন করেন মিমি। সেই সব মুহূর্তের ঝলক নিজেই ভাগ করে নেন সংবাদমাধ্যমে ও সমাজমাধ্যমে। আলো-আঁধারি ঘেরা পার্টি, হাসি, আলিঙ্গন, সব মিলিয়ে যেন এক ঝলমলে জন্মদিনের কোলাজ।

 

 

&t=313s

 

তবে শুধু উদযাপনই নয়, শুভেচ্ছার বন্যাতেও ভাসলেন অভিনেত্রী। তাঁর জুনিয়র ঊষসী রায় বরাবরই মিমিকে নিজের ‘আইডল’ বলে মানেন। জন্মদিনে আবেগঘন বার্তায় তিনি লেখেন, তাঁর দিদির আপোসহীন ব্যক্তিত্বই বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। মিমির কাজের প্রতি ভালবাসা এবং অবিরাম স্বপ্ন দেখার সাহস তাঁকে অনুকরণীয় করে তুলেছে -এমনটাই জানান ঊষসী। প্রার্থনা করেন, আগামী দিনগুলো আরও আলোয় আর সাফল্যে ভরে উঠুক। 

 

 

অভিনেত্রী দর্শনা বণিকও সেমি-ফরম্যাল লুকে মিমির একটি ছবি পোস্ট করে সংক্ষিপ্ত অথচ উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান “শুভ জন্মদিন, সুন্দরী।”

 

 

আর ইন্ডাস্ট্রির ‘খোদ’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়? তিনিও পিছিয়ে থাকেননি। নিজের ফেসবুক স্টোরিতে মিমির ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, “শুভ জন্মদিন, মিমি।” ছোট্ট বার্তা, কিন্তু তাতেই ধরা পড়েছে স্নেহের স্পর্শ।

 

 

রাজনীতি হোক বা রুপোলি পর্দা, মিমি চক্রবর্তী বরাবরই নিজের জায়গা তৈরি করেছেন স্বতন্ত্র ভঙ্গিতে। ৩৬-এ দাঁড়িয়ে তাঁর জন্মদিন যেন সেই আত্মবিশ্বাস, সম্পর্ক আর আলোয় মোড়া যাত্রাপথেরই আর এক নতুন অধ্যায়।