ইম্পার বৈঠক শেষে জোড়াল হয় পিয়া সেনগুপ্তর পদত্যাগের দাবি। কিছু ফাইল নিয়ে বেরোতে গেলে তোলা হয় 'ফাইল চোর' স্লোগান। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। পুলিশের তরফে কোনও মতে বের করে আনা হয়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন পিয়া সেনগুপ্ত।
কিছুটা ধাতস্থ হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পিয়া।কোনও মতে গোটা ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "লজ্জা হয়। একটা চেয়ারের লোভ এত হতে পারে। এত নোংরা! এঁরা নিজেদের শিক্ষিত বলেন? বয়স্ক মানুষকে রেয়াত করছে না। বয়স্ক একটা মানুষের গায়ে হাত দেওয়া, মহিলার গায়ে হাত দেওয়া- এঁরা ভদ্র সমাজের পুরুষ মানুষ?"
প্রসঙ্গত, এদিন পিয়া সেনগুপ্ত যেমন ধস্তাধস্তিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন, তেমন অন্যদিকে ইম্পার আরও এক সদস্য ধাক্কাধাক্কিতে আহত হন। তাঁর পা কেটে যায়। সেই ব্যক্তি জানান পিয়া সেনগুপ্তর সঙ্গে তিনি যখন ফাইল নিয়ে বেরোচ্ছিলেন তখন মারাত্মক ধাক্কাধাক্কি করা হয়, এবং ফাইলগুলো 'ছিনিয়ে' নেওয়া হয়। সেই ব্যক্তি এও জানান সেই ফাইলে ইম্পার সমস্ত নথি, জরুরি কাগজ ছিল। ছিল কোর্টের অর্ডার। সবটাই তাঁদের তিনি নিয়ে নেওয়া হয়েছে।
পিয়া সেনগুপ্তও এদিন তাঁকে উদ্দেশ্য করে ওঠা ফাইল চোর স্লোগানের প্রসঙ্গে বলেন, "ফাইল চুরি তো ওরা করল।"
২২ মে ইম্পার মিটিংয়ে ফের অশান্তির আবহ তৈরি হয়। প্রথমে মিটিং ছেড়ে বেরিয়ে আসেন সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত। এমনকী তিনি থানায় যাবেন বলেও জানান। পরবর্তীতে পুলিশের উপস্থিতিতে ফের বৈঠক শুরু হয়। সেখানে ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে রতন সাহাকে অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচন করা হয়। কিন্তু গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত সেটা মানতে অস্বীকার করেন।
এদিন এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ধ্বনি ভোট এবং রতন সাহাকে অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচন করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমাকে সরিয়ে দিক। ওরা পুলিশকেও মানছে না। কাউকে মানছে না। নিজেদের মতো কমিটি গঠন করে বসে যাবে।" তাঁর প্রশ্ন, "ধ্বনি ভোট বলে কোনও বস্তু দেখেছেন? ব্যাপারটা বিচারাধীন। ওদের ওখানে ইসি সদস্য কে আছেন? ওরা যা ইচ্ছে করুক। আমরা আইনের পথে আছে। আইনি লড়াই হবে, তারপর ওরা যা পারে করুক।" রতন সাহা অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট, এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলেই, তিনি পুনরায় বলে ওঠেন, "এসব আমরা জানি না।"















