একেই বলে মধুরেণ সমাপয়েৎ। ২৯তম কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে চওড়া হাসি বাংলার মুখে। দুটো ভিন্ন বিভাগে পুরস্কার জিতে নিল দুটো বাংলা ছবি। প্রযোজক অঞ্জন বসুর ‘মনপতঙ্গ’, অঞ্জন দত্তের ‘চালচিত্র এখন’। আন্তর্জাতিক জুরি থেকে শহর কলকাতা, মৃণাল সেনময়। এবছর তাঁর জন্মশতবর্ষ। তাঁকে সম্মান জানিয়ে অঞ্জন গুরুদক্ষিণা স্বরূপ বানিয়েছিলেন ছবিটি। পর্দায় তিনি মৃণাল সেনের ভূমিকায়। আন্তর্জাতিক বিভাগে স্পেশ্যাল জুরি অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত সেই ছবি।
পুরস্কার নিতে মঞ্চে উঠে পরিচালক-অভিনেতা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রত্যেককে। এই ছবি দিয়ে প্রযোজনা শুরু অঞ্জন-পুত্র নীল দত্তের। পরিচালকের অনুরোধ, ‘‘আপনাদের সামনে নতুন প্রযোজক। ওর পাশে থাকুন।’’ তৃপ্ত অরোরা ফিল্ম কর্পোরেশনের বর্তমান কর্ণধার অঞ্জন বসুও। তাঁর প্রযোজনায় শর্মিষ্ঠা মাইতি-রাজদীপ পালের পরিচালনায় "মনপতঙ্গ"-এ অভিনয় করেছেন সীমা বিশ্বাস। তিন প্রজন্ম ধরে বিনোদন দুনিয়ার সঙ্গে জুড়ে থাকা সত্যজিৎ রায়ের ছবির প্রযোজনা সংস্থার তাই গর্বের সীমা নেই। প্রবীণ প্রযোজকের মতে, ‘‘৪৫ বছর পরে আবার ছবি বানালাম। পরিচালক জুটির পরপর দুটো ছবি জাতীয় পুরস্কার এবং কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা ছবির পুরস্কার পেল। ভাল লাগছে।’’
এদিন দেশ-বিদেশের একমুঠো ছবি নানা বিভাগীয় সম্মানে সম্মানিত। সেরা ভারতীয় তথ্যচিত্র হিসেবে গোল্ডেন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ট্রফি, ৩ লক্ষ টাকা নগদ এবং শংসাপত্র পেয়েছে রমেন-শিবানু বোরার ‘চ্যালেঞ্জ’। পুরস্কার দিতে উঠে পরিচালক অরিন্দম শীল জানান, ক্রমশ, ছোট ছবি এবং তথ্যচিত্রের চাহিদা বাড়ছে। এবারের সিনে উৎসব তার সাক্ষী। প্রচুর এই ধরনের ছবি জমা পড়েছিল। ছবি দেখার জন্য দর্শকদের ভিড় নজরকাড়া। প্রত্যেকটি ছবি গুণে এবং মানে সেরা ছিল। ছোট ছবির ক্ষেত্রে এই সম্মান পেয়েছে কামিল সইফের ‘লাস্ট রিহার্সাল’। নেটপ্যাক অ্যাওয়ার্ডে সেরা ছবির সম্মান পেয়েছে মায়ানমারের পরিচালকদল নাইনফোল্ড মোজেইক পরিচালিত ছবি ‘ব্রোকেন ড্রিমস’। প্যানোরমা বিভাগে স্পেশ্যাল জুরি অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত অমর্ত্য সিনহার ছবি ‘অসম্পূর্ণ’। ভারতীয় ছবি বিভাগে এই সম্মানে সম্মানিত হাওবান পবন কুমারের ‘যোশেপস সন’। হীরালাল সেন মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড বিভাগে সেরা পরিচালকের সম্মান পেয়েছেন সনেট অ্যান্টনি ব্যারেটো। তাঁর ‘অভনি কি কিসমত’ ছবির জন্য। একই বিভাগে সেরা ছবি ‘গড়াই পাখারি’। পরিচালনায় রজনি বসুমাতারি। আন্তর্জাতিক বিভাগে সেরা ছবি ‘চিলড্রেন অফ নো বডি’। পরিচালনায় এরেস টাডমর। সেরা পরিচালক কার্লস ড্যানিয়েল মালব। তাঁর ‘ওয়ান ওয়ে’ ছবির জন্য।
কথা দিয়েছিলেন, তিনি উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে থাকবেন। সঞ্চালনার দায়িত্ব নেবেন। কথা রেখেছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। ২৯তম কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ— তাঁর সাবলীল সঞ্চালনায় সমৃদ্ধ। এদিনের উৎসবে ছিল একাধিক চমক। শেষবেলায় উৎসব প্রাঙ্গন থেকে ঘুরে গেলেন শর্মিলা ঠাকুর। শেষ দিনেও উদযাপনের জৌলুস অটুট অদিতি রাও হায়দরির উপস্থিতিতে। শুধুই সাংবাদিকদের মুখোমুখি নয়, সমাপ্তি অনুষ্ঠানেও ছিলেন তিনি। ছিলেন সুধীর মিশ্র এবং যাত্রা দুনিয়ার চপল ভাদুড়ি। যিনি ‘চপলরানি’ নামে খ্যাত।
এদিন অনুষ্ঠান শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে। বাংলা ছায়াছবির গান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা গানের সঙ্গে এদিন নাচে অংশ নেন নুসরত জাহান, দেবলীনা কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, রণিতা দাস, লাভলী মৈত্র। নৃত্যপরিচালনায় নুসরত, দেবলীনা। সঞ্চালক এরপর মঞ্চে ডেকে নেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ইন্দ্রনীল সেন, পরিচালক সুধীর মিশ্র, অদিতি রাও হায়দরি, শান্তনু বসু, হরনাথ চক্রবর্তী, গৌতম ঘোষ, উৎসবের চেয়ারপার্সন রাজ চক্রবর্তীকে। কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিয়ে আপ্লুত সুধীর মিশ্র, অদিতি। তাঁদের কথায়, ‘‘কলকাতা শিল্প-সংস্কৃতির পীঠস্থান। এই শহর আবেগের উষ্ণতায় উষ্ণ। বহু প্রতিভার জন্মদাত্রী। সেই শহরের উদযাপনে যোগ দিতে পেরে আমরা সম্মানিত।’’
পুরস্কার নিতে মঞ্চে উঠে পরিচালক-অভিনেতা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রত্যেককে। এই ছবি দিয়ে প্রযোজনা শুরু অঞ্জন-পুত্র নীল দত্তের। পরিচালকের অনুরোধ, ‘‘আপনাদের সামনে নতুন প্রযোজক। ওর পাশে থাকুন।’’ তৃপ্ত অরোরা ফিল্ম কর্পোরেশনের বর্তমান কর্ণধার অঞ্জন বসুও। তাঁর প্রযোজনায় শর্মিষ্ঠা মাইতি-রাজদীপ পালের পরিচালনায় "মনপতঙ্গ"-এ অভিনয় করেছেন সীমা বিশ্বাস। তিন প্রজন্ম ধরে বিনোদন দুনিয়ার সঙ্গে জুড়ে থাকা সত্যজিৎ রায়ের ছবির প্রযোজনা সংস্থার তাই গর্বের সীমা নেই। প্রবীণ প্রযোজকের মতে, ‘‘৪৫ বছর পরে আবার ছবি বানালাম। পরিচালক জুটির পরপর দুটো ছবি জাতীয় পুরস্কার এবং কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা ছবির পুরস্কার পেল। ভাল লাগছে।’’
এদিন দেশ-বিদেশের একমুঠো ছবি নানা বিভাগীয় সম্মানে সম্মানিত। সেরা ভারতীয় তথ্যচিত্র হিসেবে গোল্ডেন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ট্রফি, ৩ লক্ষ টাকা নগদ এবং শংসাপত্র পেয়েছে রমেন-শিবানু বোরার ‘চ্যালেঞ্জ’। পুরস্কার দিতে উঠে পরিচালক অরিন্দম শীল জানান, ক্রমশ, ছোট ছবি এবং তথ্যচিত্রের চাহিদা বাড়ছে। এবারের সিনে উৎসব তার সাক্ষী। প্রচুর এই ধরনের ছবি জমা পড়েছিল। ছবি দেখার জন্য দর্শকদের ভিড় নজরকাড়া। প্রত্যেকটি ছবি গুণে এবং মানে সেরা ছিল। ছোট ছবির ক্ষেত্রে এই সম্মান পেয়েছে কামিল সইফের ‘লাস্ট রিহার্সাল’। নেটপ্যাক অ্যাওয়ার্ডে সেরা ছবির সম্মান পেয়েছে মায়ানমারের পরিচালকদল নাইনফোল্ড মোজেইক পরিচালিত ছবি ‘ব্রোকেন ড্রিমস’। প্যানোরমা বিভাগে স্পেশ্যাল জুরি অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত অমর্ত্য সিনহার ছবি ‘অসম্পূর্ণ’। ভারতীয় ছবি বিভাগে এই সম্মানে সম্মানিত হাওবান পবন কুমারের ‘যোশেপস সন’। হীরালাল সেন মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড বিভাগে সেরা পরিচালকের সম্মান পেয়েছেন সনেট অ্যান্টনি ব্যারেটো। তাঁর ‘অভনি কি কিসমত’ ছবির জন্য। একই বিভাগে সেরা ছবি ‘গড়াই পাখারি’। পরিচালনায় রজনি বসুমাতারি। আন্তর্জাতিক বিভাগে সেরা ছবি ‘চিলড্রেন অফ নো বডি’। পরিচালনায় এরেস টাডমর। সেরা পরিচালক কার্লস ড্যানিয়েল মালব। তাঁর ‘ওয়ান ওয়ে’ ছবির জন্য।
কথা দিয়েছিলেন, তিনি উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে থাকবেন। সঞ্চালনার দায়িত্ব নেবেন। কথা রেখেছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। ২৯তম কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ— তাঁর সাবলীল সঞ্চালনায় সমৃদ্ধ। এদিনের উৎসবে ছিল একাধিক চমক। শেষবেলায় উৎসব প্রাঙ্গন থেকে ঘুরে গেলেন শর্মিলা ঠাকুর। শেষ দিনেও উদযাপনের জৌলুস অটুট অদিতি রাও হায়দরির উপস্থিতিতে। শুধুই সাংবাদিকদের মুখোমুখি নয়, সমাপ্তি অনুষ্ঠানেও ছিলেন তিনি। ছিলেন সুধীর মিশ্র এবং যাত্রা দুনিয়ার চপল ভাদুড়ি। যিনি ‘চপলরানি’ নামে খ্যাত।
এদিন অনুষ্ঠান শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে। বাংলা ছায়াছবির গান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা গানের সঙ্গে এদিন নাচে অংশ নেন নুসরত জাহান, দেবলীনা কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, রণিতা দাস, লাভলী মৈত্র। নৃত্যপরিচালনায় নুসরত, দেবলীনা। সঞ্চালক এরপর মঞ্চে ডেকে নেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ইন্দ্রনীল সেন, পরিচালক সুধীর মিশ্র, অদিতি রাও হায়দরি, শান্তনু বসু, হরনাথ চক্রবর্তী, গৌতম ঘোষ, উৎসবের চেয়ারপার্সন রাজ চক্রবর্তীকে। কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিয়ে আপ্লুত সুধীর মিশ্র, অদিতি। তাঁদের কথায়, ‘‘কলকাতা শিল্প-সংস্কৃতির পীঠস্থান। এই শহর আবেগের উষ্ণতায় উষ্ণ। বহু প্রতিভার জন্মদাত্রী। সেই শহরের উদযাপনে যোগ দিতে পেরে আমরা সম্মানিত।’’
















