সদ্যই মুক্তি পেয়েছে 'মন মানে না'। ভ্যালেন্টাইন্স ডের ঠিক আগের দিন বড়পর্দায় এসেছে রাহুল মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবিটি। তারপর থেকেই নানা নেতিবাচক মন্তব্য ছবিটিকে ঘিরে সমাজমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। এবার ট্রোলারদের পাল্টা জবাব দিলেন পরিচালক।
রাহুল মুখোপাধ্যায় এদিন সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে জানান 'মন মানে না' মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই একটি 'ছায়ার সঙ্গে 'যুদ্ধ' শুরু হয়েছে তাঁদের। এমনকী ভুয়ো প্রোফাইল থেকে নায়িকা হিয়া চট্টোপাধ্যায়কে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে।
পরিচালক এদিন এই বিষয়ে লেখেন, 'সিনেমা আমরা সবাই ভালবেসে বানাই। প্রত্যেকে। প্রযোজক থেকে পরিচালক থেকে প্রত্যেকটা টেকনিশিয়ান। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, সিনেমা বানানোর পর, সিনেমা রিলিজ করার পর শুরু হয় আসল যুদ্ধটা। এটা ছায়ার সাথে যুদ্ধ। ০ ফলোয়ার বা ০ পোস্টের ফেক প্রোফাইল থেকে অকথ্য গালাগালি দেওয়া হচ্ছে আমাদের নতুন নায়িকার ইনবক্সে বা আমাদের ডিওপি-র কমেন্ট সেকশনে।'
তিনি এদিন আরও লেখেন, 'কেউ নিজে থেকে ভাল রিভিউ লিখলে তাকেও গালাগালি করা হচ্ছে। লেখা হচ্ছে এটা পেইড রিভিউ। যদিও, রিভিউয়ারদের পয়সা দেওয়া বা কর্পোরেট বুকিং করার মতো অভিপ্রায় বা সামর্থ্য কোনোটাই আমাদের নেই। আমরা তো কোনও বড় কেউকেটা নই। তাই আমাদের ছবির বিরুদ্ধে ট্রোল আর্মি নামিয়ে বা নেগেটিভ ক্যাম্পেইন করে আমাদের এতটা গুরুত্ব দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু একটা সত্যি কথা বলব? খারাপ ছবি বানালে দর্শক এমনিই মুখ ফিরিয়ে নেবে। তাই ছবির ভাল খারাপ নিয়ে কথাটা হোক। সিনেমা ভাল না লাগলে অবশ্যই জানান। কিন্তু ছবিটা আগে দেখে তারপর। আর যারা ভাল রিভিউ দিচ্ছে বা লিখছে, তাদের হুমকি দেওয়া তা রীতিমতো ছেলেমানুষি।'
বর্তমান সময়ে চলা 'বাংলা সিনেমার পাশে দাঁড়ান' মিম নিয়েও তিনি খোঁচা দেন। লেখেন, 'আবারও বলছি, বাংলা ছবির পাশে দাঁড়াতে হবে না। সিটে বসে দেখুন। ভাল না লাগলে সেটা স্বচ্ছভাবে বলুন। কিন্তু কথা হোক ছবির ভাল-মন্দ নিয়ে, ফেক প্রোফাইলের ঢাল ব্যবহার করে কদর্য ব্যক্তি আক্রমণ দিয়ে নয়।'
এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, 'মন মানে না' ছবিটিতে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন সৌম্য মুখোপাধ্যায়, হিয়া চট্টোপাধ্যায় ও ঋত্বিক ভৌমিক। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, রুক্মিণী মৈত্র, প্রমুখ। এটি একটি আদ্যোপান্ত রোমান্টিক ঘরানার ছবি।
















