পশ্চিমবঙ্গে প্রস্তাবিত ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ নিয়ে বড় ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, আগামী ৩ জুন থেকে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে যোগ্য মহিলা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ৩,০০০ টাকা করে পাঠানো হবে।
2
11
অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পেতে হলে আবেদনকারীকে মহিলা হতে হবে। বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। স্থায়ী সরকারি কর্মচারী হওয়া যাবে না। সরকারি বেতন বা পেনশনভোগী হওয়া যাবে না। আয়করদাতা হওয়া যাবে না।
3
11
এই প্রকল্প কার্যকর হবে ৩ জুন থেকে। উপভোক্তার আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার মাধ্যমে টাকা পাঠানো হবে। তাই আধার ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য সঠিকভাবে সংযুক্ত থাকা অত্যন্ত জরুরি।
4
11
সরকারের পক্ষ থেকে ১২ পাতার একটি আবেদনপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদনকারীকে সেই ফর্ম পূরণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের মাধ্যমে যাচাইয়ের পর নাম নথিভুক্ত করা হবে।
5
11
ঘোষণা অনুযায়ী, ১ জুন থেকে ৯০ দিন ধরে এই নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া চলবে। প্রতিটি পুরসভা এলাকায় অনলাইন ও অফলাইন—দুই পদ্ধতিতেই আবেদন গ্রহণ করা হবে। ওয়ার্ডভিত্তিক এই কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিরাও সহযোগিতা করবেন।
6
11
অনেকেই অনলাইন বা অফলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করতে সমস্যায় পড়তে পারেন। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে জানানো হয়েছে, ১৫, ১৬ ও ১৭ জুন বিভিন্ন এলাকায় জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হবে। সেখানে আবেদনকারীদের ফর্ম পূরণে সহায়তা করা হবে।
7
11
অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন করতে হলে নিম্নলিখিত নথিগুলি লাগবে। আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র, বসবাসের প্রমাণপত্র, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পাসবই বা স্টেটমেন্ট, পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
8
11
অনলাইনে: প্রকল্পের অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে ‘Track Application’ অপশনে ক্লিক করে Application Reference Number প্রবেশ করতে হবে।
9
11
অফলাইনে: স্থানীয় ব্লক অফিস বা পুরসভা অফিসে গিয়ে আবেদন গ্রহণের রসিদ দেখিয়ে তথ্য জানা যাবে।
10
11
১২ পাতার আবেদনপত্রে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের আশঙ্কা, অতিরিক্ত তথ্য ও নথির কারণে প্রকৃত উপভোক্তাদের একাংশ বাদ পড়তে পারেন।
11
11
তবে প্রশাসনের দাবি, সাধারণ মানুষের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবেদনপত্র পূরণে সাহায্য করবেন। পাশাপাশি গুজবে কান না দিয়ে শুধুমাত্র প্রকৃত উপভোক্তাদের প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।