সলমনে মুগ্ধ চিত্রাঙ্গদা 

সলমন খানকে নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে নানা কথা শোনা যায়। তাঁর সময়নিষ্ঠা বা পেশাদারিত্ব নিয়ে দীর্ঘকাল ধরেই নানা গুজব বাজারে ঘোরাফেরা করেছে। কিন্তু বাস্তবে মানুষটি ঠিক কেমন? সম্প্রতি ‘মাতৃভূমি’ ছবির শুটিং সেটে সলমনকে কাছ থেকে দেখে সে সব প্রচলিত ধারণাকেই এক ঝটকায় উড়িয়ে দিলেন অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং।চিত্রাঙ্গদা বলেন, “আমরা ‘মাতৃভূমি’ ছবিটি খুব পরিশ্রম এবং ভালবাসা দিয়ে তৈরি করেছি। সলমনকে নিয়ে লোকে অনেক কিছু বলে, আমি শুটিংয়ের আগে অনেক টিপসও পেয়েছিলাম—যেমন, তিনি সময়মতো সেটে আসেন না, শিডিউল লম্বা হয়ে যায় ইত্যাদি। কিন্তু বাস্তবে এর কিছুই ঘটেনি।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমি প্রচুর রটনা শুনেছিলাম যে তিনি অপেশাদার। কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে তিনি ভীষণই সহজ এবং প্রাণখোলা। তাঁর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত সাবলীল।” সলমনের কাজের প্রতি এবং সহকর্মীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বলতে গিয়ে চিত্রাঙ্গদা একটি বিশেষ গুণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “ইন্ডাস্ট্রিতে এত বছর কাজ করার পরেও তাঁর মধ্যে মানুষের প্রতি যে মমতা রয়েছে, তা সত্যিই বিরল। সেটে সবচেয়ে কম পরিচিত মানুষ, যেমন লাইটম্যান বা চতুর্থ সহকারী পরিচালক—সবার দিকেই তাঁর খেয়াল থাকে। তিনি নিজে গিয়ে খোঁজ নেন তাঁরা খাবার খেয়েছেন কি না, ব্রেক পেয়েছেন কি না, বা তাঁদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁর এই মানবিক গুণটি সত্যিই প্রশংসনীয়।”

 

 

মোহিতের ‘আওয়ারা’ জবাব

দীর্ঘ ১৯ বছর পর ফের বড়পর্দায় ফিরছে ‘আওয়ারাপন’। বিশেষ ফিল্মস প্রযোজিত এই ছবির সিক্যুয়েল ‘আওয়ারাপন ২’ নিয়ে দর্শকদের কৌতূহল ছিল তুঙ্গে। ছবিতে ইমরান হাসমিকে প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে, তা আগেই নিশ্চিত হয়েছিল। তবে পরিচালকের আসনে মোহিত সুরি না থাকায় অবাক হয়েছিলেন অনেকেই। এবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মোহিত সুরি জানালেন, কেন তিনি এই  ছবিটি পরিচালনা করছেন না। ‘আমাকে অফারই করা হয়নি এই ছবি’ সাক্ষাৎকারে মোহিত সুরি অকপটে স্বীকার করেন যে, তাঁকে এই ছবির জন্য পরিচালক হিসেবে প্রস্তাবই দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “সত্যি বলতে, আমাকে এই ছবির জন্য কখনও অফারই করা হয়নি। আমি মনে করি না এর পেছনে অন্য কোনও বড় কারণ আছে। তাঁরা হয়তো অন্যভাবে কাজ করতে চেয়েছেন।”


জেলেই এসেছিল ‘খলনায়ক’ ভাবনা

বলিউডের পর্দায় ‘বল্লু’ চরিত্রটি সঞ্জয় দত্তের কেরিয়ারের অন্যতম মাইলফলক। সেই বল্লুর প্রত্যাবর্তন নিয়ে দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার পর এবার সামনে এল সিক্যুয়েলের পেছনের এক অবিশ্বাস্য গল্প। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় দত্ত জানালেন, ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এর বীজ বপন হয়েছিল জেলখানার চার দেওয়ালের ভেতরে, যেখানে ৪০০০ সহবন্দি তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন ‘বল্লু’কে ফেরানোর জন্য।

জেলে কাটানো দিনগুলোর কথা স্মরণ করে অভিনেতা জানান, “আমি যখন জেলে ছিলাম, তখন সেখানকার ৪০০০ কয়েদিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনারা কি ‘খলনায়ক’-এর সিক্যুয়েল দেখতে চান? প্রত্যেকেই একবাক্যে রাজি হয়েছিল।” সঞ্জয় দত্ত সেখানেই থামেননি। তিনি তাঁর সহবন্দিদের সৃজনশীল কাজেও উৎসাহিত করেছিলেন। তিনি বলেন, “আমি ওদের সবাইকে বলেছিলাম, সিক্যুয়েল নিয়ে প্রত্যেকে একটা করে পৃষ্ঠা লিখে জমা দাও। প্রায় ৪০০০ পাতার সেই সব আইডিয়া পড়তে আমার বেশ অনেকটা সময় লেগেছিল।” জেলখানার সেই কয়েদিদের অকৃত্রিম উৎসাহই তাঁকে এই সিক্যুয়েল তৈরির অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।