'জোয়ার ভাঁটা' ধারাবাহিকের গল্প একদম জমে ক্ষীর। একদিকে দিদিকে শিক্ষা দিতে উজি ইউপিএসসি পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যদিকে বোনকে শায়েস্তা করতে এবং বাবার খুনের বদলা নিতে নিশা এবার ঋষিকেই মেরে ফেলবে?
এদিন চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তরফে 'জোয়ার ভাঁটা' ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো প্রকাশ্যে এনেছে। সেখানেই দেখা যাচ্ছে একটি সুইমিং পুলের মধ্যে ঋষিকে চেয়ারে বেঁধে, মুখ বেঁধে বসিয়ে রেখেছে নিশা। বলছে ওদের বাবাকে যেভাবে দমবন্ধ করে হত্যা করা হয়েছিল সেভাবেই মারা হবে ঋষিকে। বলেই জল ছেড়ে দেয়। ডুবতে থাকে ঋষি।
এই অবস্থায় নায়ককে বাঁচানোর পরিবর্তে ঋষির বাড়ির দুই সদস্য বলে ওদের ক্ষতি নিশা করতে চেয়েছিল? এবার এই প্ল্যানে তার ক্ষতি করা হবে। উজিকে কাজে লাগাবে। সেই সময় সুইমিং পুলের কাছে আসে উজি। দেখে ঋষি জলে ডুবে গিয়েছে। স্বামীকে কি এই বিপদের হাত থেকে শেষ পর্যন্ত নায়িকা বাঁচাতে পারবে? নাকি মৃত্যু হবে ঋষির? উত্তর আগামীতে পাওয়া যাবে।
এই প্রোমো দেখে তুর্কি সিরিজ আরাফতার সঙ্গে মিল পেয়েছেন দর্শকরা। কেউ লেখেন, 'আরাফতার থেকে ঝেঁপে দিল!' কেউ আবার লেখেন, 'এ বাবা কপি করল!' তবে অনেকেই আবার প্রশংসা করেছেন এই টানটান গল্পের মোড় দেখে।
?utm_source=ig_embed&utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14">
?utm_source=ig_embed&utm_campaign=loading" target="_blank" rel="noopener">
View this post on Instagram
?utm_source=ig_embed&utm_campaign=loading" target="_blank" rel="noopener">A post shared by Zee Bangla Official (@zeebanglaofficial)
প্রসঙ্গত 'জোয়ার ভাঁটা' ধারাবাহিকের এই টানটান পর্ব আগামী ২৫ থেকে ২৭ মার্চ দেখানো হবে। 'জোয়ার ভাঁটা' ধারাবাহিকটি জি বাংলার পর্দায় সোম থেকে শুক্রবার দেখা যায়। এটি এই পাঁচ দিন রাত নয়টা থেকে সম্প্রচারিত হয়। এই ধারাবাহিকে দুই বোনের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে শ্রুতি দাস এবং আরাত্রিকা মাইতিকে দেখা যাচ্ছে। উজির স্বামী অর্থাৎ ঋষির ভূমিকায় রয়েছেন অভিষেক বীর শর্মা।
'জোয়ার ভাঁটা' ধারাবাহিকের গল্পে সম্প্রতি দেখানো হয়েছে দিদির সঙ্গে জেলে দেখা করতে এসেছে উজি। জানায় সে ইউপিএসসি দেবে। এবং এই পরীক্ষা দিয়েই সে পুলিশ হবে। সে চায় সাইবার ক্রাইম সম্পূর্ণ ভাবে শেষ করতে। তাই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে। বাবাকে দেওয়া কথা সে রাখবে। আর দিদিকেও ভুল করা থেকে আটকাবে। এই কথা শুনেই নিশা বলে, সে স্থির করে নিয়েছে কী করবে আগামীতে। সে প্রস্তুত। উজি যেন তার সঙ্গে লড়াই করতে এলে প্রস্তুত হয়েই আসে। বোন চলে যাওয়ার আগে সে অনুরোধ করে একবার তাকে জড়িয়ে ধরার। ফলে দুই বোনের সম্পর্কে যে এবার চিড় ধরল সেটা স্পষ্ট।