এপার বাংলা বলুন বা ওপার বাংলা, দুই বাংলারই খ্যাতনামা অভিনেত্রী তিনি। তাঁর রূপ, লাবণ্যের পাশাপাশি অভিনয়ের গুণে মুগ্ধ হাজার হাজার মানুষ। কার কথা বলছি নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন? হ্যাঁ, জয়া আহসান। এদিকে যখন প্রবল ঠান্ডায় বঙ্গবাসী ঠান্ডায় প্রায় জমে গিয়েছেন, পদ্মাপাড়ের অবস্থাও প্রায় একই। অন্তত জয়া আহসানের নতুন ভিডিও দেখে তাই বোঝা যাচ্ছে। 

জয়া আহসান এদিন যে ভিডিও পোস্ট করেছেন তাঁর শীতযাপন কেমন কাটছে দেখিয়ে তাতে দেখা যাচ্ছে একাধিক শীত পোশাক পরেও রীতিমত জবুথবু হয়ে গিয়েছেন তিনি। তবুও এই ঠান্ডার মধ্যে অভিনেত্রী রান্না করছেন! জানালেন কার জন্য। 

জয়া আহসান এদিন তাঁদের বাড়িতে যে মাটির উনুন রয়েছে তাতেই রান্না করছিলেন। কী পদ? মাংস। তবে নিজের জন্য নয়। বরং তাঁর আদরের চারপেয়ে সন্তানের জন্য। এক উনুনে তরকারি, আরও এক উনুনে মাংস বসিয়েছিলেন। নিজেই কাঠ দিয়ে উনুন জ্বালান। 

এদিন রান্না করতে করতেই জয়া আহসান বলেন, "আমি অত রান্নাবান্না পারি না আসলে। আমাদের এটা একটা মাটির রান্নাঘর। অনেকগুলো মাটির চুলা আছে।" তিনি এদিন আরও বলেন, "আমি তো রান্না পারি না। শুধু ওদের রান্নাটাই করতে পারি। তাই শীতকালে মাটির চুলাতেই রান্না করছি। এত ঠান্ডা চারিদিকে আর কোথাও বসতে পারছি না। খালি এই রান্নাঘরেই বসছি। কী যে আরাম এই মাটির চুলাতে। অনেক মজার হয় খেতে।" 
প্রসঙ্গত বাংলাদেশে উনুনকে চুলা বলা হয়। 

দুধ চা খেতে খেতেই জয়া জানান তাঁদের বাড়িতে এদিন গরুর মাংস রান্না হবে, তাও হবে মাটির উনুনেই। এই উনুনে রান্না করলে নাকি খাবারের স্বাদ দারুণ হয়। যদিও তিনি এই মাংস খান না। কিন্তু ঝোল খাবেন বলেই জানালেন। 

ঠান্ডায় এদিন অভিনেত্রীকে মোটা জ্যাকেট, টুপির পাশাপাশি ট্র্যাক প্যান্ট মোজা পরে আগুনের সামনে বসে রান্না করতে করতে আগুন পোহাতে দেখা যায়। অভিনেত্রীর এই পোস্টে অনেকেই জানিয়েছেন মাটির উনুনে রান্না করলে সত্যিই তার স্বাদ দুর্দান্ত হয়।

জয়া আহসানকে দর্শক শেষবার পুতুলনাচের ইতিকথা ছবিতে দেখেছেন। ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে মুক্তি পেয়েছিল সেই ছবি। এছাড়াও তাঁকে গত বছর ডিয়ার মা ছবিতেও দেখা গিয়েছিল। আগামীতে তাঁর হাতে আজও অর্ধাঙ্গিনী ছবিতে দেখা যাবে। এছাড়াও রয়েছে বেশ কিছু প্রজেক্ট।