সংবাদসংস্থা মুম্বই: বর্ষীয়ান গীতিকার জাভেদ আখতার বরাবরই নিজের জীবনদর্শন যেমন ভাগ করে নেন সমাজমাধ্যমে তেমনই বিভিন্ন আর্থসামাজিক বিষয় নিয়েও নিজস্ব মতামত জানাতে পিছপা হন না। সম্প্রতি, আমেরিকার আগত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে মুখ খুলেছেন জাভেদ। তাঁর মন্তব্যকে উপজীব্য করে ঝাঁপিয়ে পড়েন ট্রোলাররা। ছাড়েননি পদ্মভূষণ প্রাপক এই গীতিকারও। পাল্টা ঝামা ঘষে দিয়েছেন ট্রোলারদের মুখে!
সমাজমাধ্যমে আমেরিকার আগত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে জাভেদ আখতার লেখেন, " আমি একজন গর্বিত ভারতবাসী। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তাই থাকব। তবে জো বাইডেনের সঙ্গে আমার একটি মিল রয়েছে। আমরা দু'জনেই আমেরিকার আগামী প্রেসিডেন্ট হওয়ার সমান সুযোগ রয়েছে!"
বর্ষীয়ান গীতিকারের এই পোস্ট দেখামাত্রই তাঁর উদ্দেশ্যে এক ট্রোলার লেখেন, " স্রেফ মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য পাকিস্তান নামের এক দেশ তৈরির পিছনে অন্যতম সহযোগী ছিলেন আপনার বাবা। সেই কাণ্ড ঘটিয়ে অবশ্য তিনি সে দেশে না গিয়ে ভারতে থেকে যান একজন ভয়ডরহীন লেখকের মুখোশ পরে। আপনি সেই গদ্দার-এর সন্তান। আপনি যা খুশি বলতে পারেন কিন্তু এটাই সত্যি!"
বার্তাটি চোখে পড়তেই চুপ করে থাকেননি জাভেদ। পাল্টা লেখেন, "আপনি একজন আস্ত মূর্খ না কি বোকা-হাঁদা সেটাই বুঝে উঠতে পারছি না। জানিয়ে রাখি, ১৮৫৭ সাল থেকে আমার পরিবার দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই জেল খেটেছেন এবং কালাপানির দ্বীপান্তরে কষ্ট ভোগ করেছেন।সেই সময় আপনার বাপ-ঠাকুর্দারা ইংরেজদের জুতো চাটতে ব্যস্ত ছিল!"
এখানেই শেষ নয় আরও এক ট্রোলারকেও সমুচিত জবাব দিয়েছেন জাভেদ আখতার। সমাজমাধ্যমে 'শোলে' ছবির এই অন্যতম গল্পকার লিখেছিলেন," ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো মানুষের হাত থেকে আমেরিকাকে একমাত্র বাঁচাতে পারেন মিশেল ওবামা"। সেই নিন্দুক খোঁচা মেরে লেখেন, "মিলেশকে আপনার বুঝি খুব পছন্দ?" জাভেদের জবাব ছিল-" আপনার পরিবার অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন। কারণ তাঁরা আপনাকে এখনও কোনও মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করাননি। আপনি মানসিকভাবে অসুস্থ, দ্রুত চিকিৎসা শুরু করান!"
বর্ষীয়ান গীতিকারের এই জবাব দেখে যারপরনাই চমৎকৃত নেটিজেনদের একটি বড় অংশ। জাভেদের সাহসীকতাকে কেউ কুর্ণিশ জানাচ্ছেন কেউ আবার তাঁর মন্তব্যের মধ্যে মিশে থাকা রসবোধের তারিফ করছেন।
সমাজমাধ্যমে আমেরিকার আগত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে জাভেদ আখতার লেখেন, " আমি একজন গর্বিত ভারতবাসী। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তাই থাকব। তবে জো বাইডেনের সঙ্গে আমার একটি মিল রয়েছে। আমরা দু'জনেই আমেরিকার আগামী প্রেসিডেন্ট হওয়ার সমান সুযোগ রয়েছে!"
বর্ষীয়ান গীতিকারের এই পোস্ট দেখামাত্রই তাঁর উদ্দেশ্যে এক ট্রোলার লেখেন, " স্রেফ মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য পাকিস্তান নামের এক দেশ তৈরির পিছনে অন্যতম সহযোগী ছিলেন আপনার বাবা। সেই কাণ্ড ঘটিয়ে অবশ্য তিনি সে দেশে না গিয়ে ভারতে থেকে যান একজন ভয়ডরহীন লেখকের মুখোশ পরে। আপনি সেই গদ্দার-এর সন্তান। আপনি যা খুশি বলতে পারেন কিন্তু এটাই সত্যি!"
বার্তাটি চোখে পড়তেই চুপ করে থাকেননি জাভেদ। পাল্টা লেখেন, "আপনি একজন আস্ত মূর্খ না কি বোকা-হাঁদা সেটাই বুঝে উঠতে পারছি না। জানিয়ে রাখি, ১৮৫৭ সাল থেকে আমার পরিবার দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই জেল খেটেছেন এবং কালাপানির দ্বীপান্তরে কষ্ট ভোগ করেছেন।সেই সময় আপনার বাপ-ঠাকুর্দারা ইংরেজদের জুতো চাটতে ব্যস্ত ছিল!"
এখানেই শেষ নয় আরও এক ট্রোলারকেও সমুচিত জবাব দিয়েছেন জাভেদ আখতার। সমাজমাধ্যমে 'শোলে' ছবির এই অন্যতম গল্পকার লিখেছিলেন," ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো মানুষের হাত থেকে আমেরিকাকে একমাত্র বাঁচাতে পারেন মিশেল ওবামা"। সেই নিন্দুক খোঁচা মেরে লেখেন, "মিলেশকে আপনার বুঝি খুব পছন্দ?" জাভেদের জবাব ছিল-" আপনার পরিবার অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন। কারণ তাঁরা আপনাকে এখনও কোনও মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করাননি। আপনি মানসিকভাবে অসুস্থ, দ্রুত চিকিৎসা শুরু করান!"
বর্ষীয়ান গীতিকারের এই জবাব দেখে যারপরনাই চমৎকৃত নেটিজেনদের একটি বড় অংশ। জাভেদের সাহসীকতাকে কেউ কুর্ণিশ জানাচ্ছেন কেউ আবার তাঁর মন্তব্যের মধ্যে মিশে থাকা রসবোধের তারিফ করছেন।
















