নেটপ্রভাবী 'ননসেন' শমীক অধিকারীকে হেনস্থা এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ৬ ফেব্রুয়ারি৷ অবশেষে জামিন পেলেন 'ননসেন'।
এক তরুণীকে মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে দমদম এলাকা থেকে শমীককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ১৬ মার্চ, তাঁকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সূত্রের খবর, শমীকের ফোন থেকে বেশ কয়েকটি আপত্তিজনক ভিডিও পাওয়া গিয়েছিল৷ বিতর্ক প্রসঙ্গে শমীক বলেন, "আমি নির্দোষ।"
পুলিশ সূত্রের খবর, এক তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতেই শমীকের বিরুদ্ধে হেনস্থার মামলা রুজু করা হয়। অভিযোগকারিণীর দাবি, বেহালার একটি ফ্ল্যাটে তাঁকে বন্দি করে রেখেছিলেন শমীক। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধে পর্যন্ত ওই ফ্ল্যাটেই আটকে রাখা হয় তাঁকে।
অভিযোগকারিণীর আইনজীবীর তরফে জানানো হয়েছিল, শমীক তাঁর পরিচিত বন্ধু। বাড়ি বদল করার সময় সাহায্য করার অজুহাতে তরুণীকে নিজের ফ্ল্যাটে ডেকে পাঠান শমীক। এরপরই তরুণীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেন শমীক, এমনটাই অভিযোগ। সারারাত ধরে তাঁর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছিল। তরুণী পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতেই শমীক বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান।
অভিযোগকারিণীর গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছিল৷ আলিপুর আদালত চত্বরে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে শমীক জোর গলায় দাবি করেছিলেন, “আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।”
‘বাটন’ নামে একটি ভিডিও বানিয়েছিলেন শমীক৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও জনপ্রিয় হয়েছিল৷ তাঁর সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়েছিলেন অনুরাগীরা। তারপরেই শমীকের গ্রেপ্তারির ঘটনায় অনেকে রাজনৈতিক কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন। তবে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনা একান্তই ব্যক্তিগত, এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র নেই।
