বাচ্চা হ্যায় তু মেরা— স্নেহ-ভালোবাসা মিশে থাকা এই সহজ বাক্য প্রায়ই শোনা যায় প্রিয়জনের উদ্দেশে৷ কিন্তু পরিচালক আদিত্য ধর, 'ধুরন্ধর' সিনেমায় এই সংলাপকে অন্য মাত্রা দিয়েছেন।
সংলাপ শক্তিশালী হয়ে ওঠে যখন অভিনেতা সেই সংলাপকে যথাযথ ব্যবহার করতে পারেন৷ এই বিষয় রাকেশ বেদী অনবদ্য৷ তিনি সূক্ষ্ম হাস্যরসের সঙ্গে বারবার বলেন, 'বাচ্চা হ্যায় তু মেরা৷' আর সেখান থেকেই তৈরি হয় ইতিহাস।
'ধুরন্ধর' ছবিতে রাকেশ বেদিকে দেখা যায় পাক রাজনীতিবিদ জামিল জামালি চরিত্রে— চালাক চতুর রাজনীতিবিদ বাইরে থেকে দেখতে ভীষণ নিরীহ। কিন্তু এই নিরীহ চেহারার নেপথ্যেই আসল ‘ধুরন্ধর’।

জানা যায়, তিনি আসলে একজন ভারতীয় আন্ডারকভার স্পাই, যিনি শুরু থেকেই হামজা আলি অর্থাৎ রণবীর সিংহকে পাকিস্তানের লিয়ারি গ্যাংয়ে ঢোকানোর পরিকল্পনা করেছিলেন।
বাচ্চা হ্যায় তু মেরা সংলাপটি তিনি ব্যবহার করেন এক ধরনের কৌশল হিসাবে৷ সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধীকেও তুচ্ছ জ্ঞান করতে বাচ্চা হ্যায় তু মেরা বলেন। এই সংলাপই পরে ভাইরাল হয়৷ বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে রাকেশ বেদি হয়ে ওঠেন সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড গুরু।
ফ্যান্টা, রেনে কসমেটিকস, ক্রকস ইন্ডিয়া সকলেই এই ডায়লগ ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনী প্রচার করে৷ এমনকি রাজস্থান টুরিজম, দিল্লি পুলিশ, পোষ্যের পরিচর্যার জন্য এক সংস্থাও এই সংলাপকে ব্যবহার করেছেন৷ নিরীহ জামিল জামালি চরিত্রই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে আলোচিত। আর 'বাচ্চা হ্যায় তু মেরা' এখন ট্রেন্ডিং।
















