হোলি আসছে বললেই যে গান মনে আসে সেটা রং বরসে৷ অমিতাভ বচ্চন রেখার সেই 'আইকনিক' গান যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে আনন্দ দিচ্ছে৷ দোলের রঙিন দিনে রং বরসের সুর ছাড়া উদযাপন যেন সম্পূর্ণ হয় না৷ 

পার্টি হোক বা বন্ধুদের আড্ডা, হোলিতে একবার হলেও রং বরসে যেন বাজবেই৷ শুরুটা যে গানেই হোক, বেলা বাড়লে রঙ মেখে আর মাখিয়ে কিছুটা ক্লান্তি যখন এসেছে ঠিক সেই সময় রং বরসে বেজে উঠলেই মন আবার নেচে ওঠে৷ অমিতাভ বচ্চনের কণ্ঠের মাতাল করা জাদুতেই যেন হোলির রঙ ছড়িয়ে পড়ে মন থেকে মনে৷ গানের শুরুতেই অমিতাভের কণ্ঠস্বরের মধ্যেই আনন্দের ঢেউ খেলে যায়। 

  কবি হরিবংশ রাইয়ের লেখা এই গানটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮১ সালে৷ হরিবংশ রাই অমিতাভ বচ্চনের বাবা৷ রেখা-অমিতাভ জুটির অনবদ্য অভিনয় এই গানকে অন্যমাত্রা দিয়েছিল৷ সাদা পোশাকে হোলি খেলাও হয়তো এই কারণেই এত জনপ্রিয়৷ 

সূত্রের খবর, অমিতাভ বচ্চন এই ছবিতে জয়া বচ্চন এবং রেখাকে অভিনয় করানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন৷ রেখা তার পোশাক আর গয়না নিজে হাতে বানিয়েছিলেন৷ 

রঙের উৎসব মানে তো শুধু রঙ নয়৷ রঙ, আনন্দ, আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া আর সেই সঙ্গে নাচে গানে জমজমাট৷ হোলি উপলক্ষ্যে নতুন নতুন গান প্রকাশিত হলেও সাড়ে চার দশকের পুরনো এই গানের আবেদন এখনও সব কিছুকে ছাপিয়ে যায়৷ 

১৯৮১ সালের ১৪ অগাস্ট মুক্তি পেয়েছিল 'সিলসিলা' ছবির 'রং বরসে ভিগে চুনার ওয়ালি' গানটি৷ প্রবীণ থেকে নবীন, এমনকি জেন জি-এর কাছেও এই গান প্রিয়৷ 

সিলসিলা বক্স অফিসে ততটা সফল হয়নি। কিন্তু রং বরসে সময় কাল প্রজন্মকে ছাপিয়ে বালাম পিচকারি বা বাদ্রি কি দুলহানিয়ার সঙ্গেও সমান তালে টক্কর দিচ্ছে।