সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি স্ক্রিনশট ঘিরে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। দাবি করা হচ্ছিল, বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের চলমান অনশনকে সমর্থন জানিয়ে নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি বার্তা পোস্ট করেছিলেন।
কিন্তু পরমুহূর্তেই নাকি সেই স্টোরিটি তিনি মুছে ফেলেন। মুহূর্তের মধ্যেই সেই স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়ে পড়ে এবং নেটিজেনদের একাংশের মধ্যে নানা জল্পনা শুরু হয়।
তবে সর্বভারতীয় সংবাদ্মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দাবির পক্ষে কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। দীপিকা পাড়ুকোনের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এমন কোনও স্টোরি পোস্ট করা হয়েছিল বা পরে তা ডিলিট করা হয়েছে, এই তথ্যের সত্যতা মেলেনি। ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটের উৎসও নিশ্চিত করা যায়নি।
বর্তমানে সোনম ওয়াংচুক দিল্লির যন্তর মন্তরে অনির্দিষ্টকালের অনশন করছেন। তাঁর আন্দোলনের মূল দাবি শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
তাঁর প্রধান দাবিগুলি হল, NEET-সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়মের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, কারণ তাঁর অভিযোগ, শিক্ষা মন্ত্রক পরীক্ষায় অনিয়ম রুখতে ব্যর্থ হয়েছে। পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার, যাতে ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁস, দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ হয়।
ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্বচ্ছ পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করা।
সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলনকে ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সাধারণ মানুষ তাঁর সমর্থনে সরব হয়েছেন। তবে সেই প্রেক্ষাপটে দীপিকা পাড়ুকোনের নাম জড়িয়ে যে পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে, তার সত্যতা এখনও পর্যন্ত প্রমাণিত হয়নি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও সেলিব্রিটির নামে পোস্ট বা মন্তব্য ভাইরাল হলেই তা সত্যি ধরে নেওয়া উচিত নয়। অনেক সময় ভুয়ো স্ক্রিনশট বা সম্পাদিত ছবি ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। তাই এমন কোনও তথ্য দেখলে সেটি শেয়ার করার আগে অবশ্যই নিশ্চিত হওয়া ভাল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷
















