সেটাও ছিল রবিবার৷ সাল ২০২২, ৬ ফেব্রুয়ারি, ইহজগত থেকে বিদায় নিলেন সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর৷  এটাও আর এক রবিবার৷ ২০২৬, ১২ এপ্রিল। লতা মঙ্গেশকরের মৃত্যুর প্রায় চার বছর পর বিদায় নিলেন আশা ভোঁসলে৷ 

লতা এবং আশা দুজনেই মারা গেলেন ৯২ বছর বয়সে৷ শুধু তাই নয়, দুই বোন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন  মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে৷ শেষ বয়সে দুই বোনই  মারা গেলেন মাল্টি অর্গান ফেলিওর হয়ে৷ 

কে বেশি ভাল গান করেন তা নিয়ে নাকি লতা-আশা দুই বোনের রেষারেষি ছিল। সেই রেষারেষির জন্য নাকি মনোমালিন্য কথা বন্ধ সবই হয়েছিল। তিক্ততা নিয়ে যত চর্চা হয়, মৃত্যুতে এমন মিল নিয়ে কি চর্চা হবে?  সে কথা সময় বলবে৷ তবে মৃত্যু যে দুই বোনকে মিলিয়ে দিয়েছে অলক্ষ্যে সে কথা বলাই যায়৷

শোকের ছায়া প্রায় গোটা বিশ্বে। মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। ১১ এপ্রিল, শনিবার দুপুরের দিকে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তারপর থেকেই তিনি চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে ছিলেন। 

বর্ষীয়ান গায়িকার শারিরীক অবস্থার অবনতি হতেই তাঁকে তড়িঘড়ি আইসিইউ-তে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সেখানে অভিজ্ঞ কার্ডিওলজিস্টদের একটি বিশেষজ্ঞ দল তাঁর চিকিৎসা করছিলেন। কিন্তু চেষ্টা বিফলে। না ফেরার দেশে আশা ভোঁসলে। ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক ড. প্রতীত সামদানি তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

বুকে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন আশা ভোঁসলে। পরিবার সূত্রেই সেই খবর এসেছিল। বর্ষীয়ান গায়িকার নাতনি জানে ভোঁসলে সমাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, 'আমার ঠাকুমা, আশা ভোঁসলে প্রচণ্ড ক্লান্তি এবং বুকে সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আমরা আপনাদের কাছে আমাদের গোপনীয়তা বা ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানানোর অনুরোধ করছি। তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং আশা করছি সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। আমরা আপনাদের সবটা জানাব।'