ভোরকে নিয়ে কমলিনী এবং স্বতন্ত্রর মাঝে ভুল বোঝাবুঝি বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি মধ্যরাতে স্ত্রীকে ফেলে, পরদিন বাড়িতে কাজ জেনেও ভোরের কাছে তার ডাকে ছুটে গিয়েছে স্বতন্ত্র। এবার মিঠির বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটবে কোন বিপত্তি?
এদিন চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তরফে 'চিরসখা' ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ভোর মিঠির বিয়ের অনুষ্ঠানে এসেছে। এসেই স্বতন্ত্রকে নিয়ে নানা রকমের মন্তব্য করতে থাকে। আর সেই কারণে স্বাভাবিক ভাবেই বিরক্ত হয় কমলিনীর বাড়ির লোক। মিঠি মুখ করে বলে ওঠে, ভোর কেন এটা ভাবে যে সে সব জানে নতুন কাকুর ব্যাপারে, বরং তারা অনেক বেশি জানে। ভোর যা জানে তো ঠিক নাও হতে পারে। একই সুর শোনা যায় কমলিনীর ননদের গলায়। সেও বলে ভোর কেন বারবার এটা প্রমাণ করতে চাইছে যে সে স্বতন্ত্রকে বাকিদের থেকে বেশি চেনে। বাকিরা তাকে যেভাবে চেনে তার থেকে সে আলাদা চেনে? কমলিনী তাদের সবাইকে থামিয়ে দেয়। বলে ছোট, প্রথম প্রথম তাই এরকম করছে।
অন্যদিকে এই ঘটনার রাগ কমলিনী বের করে স্বতন্ত্রর উপর। নতুন যখন তার বউকে বলতে আসে যে মিঠিকে সে নিজের মেয়ে মনে করে কিছু করতে যায় কমলিনী তাকে বুঝিয়ে দেয় যে সে তার নিজের মেয়ে নয়। জবাবে মুখ করে কমলিনী বলে, এটা তো সত্যিই যে মিঠি স্বতন্ত্রর নিজের মেয়ে নয়। নিজের মেয়ে মনে করা আর নিজের মেয়ের মধ্যে ফারাক আছে। স্ত্রীর মুখে এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায় স্বতন্ত্র। বলাই বাহুল্য ভোরের জন্য তাদের মধ্যে দূরত্ব বেড়ে চলেছে।
ভোর স্বতন্ত্রর অনুরাগী। সে তার টানেই এখানে এসেছে বলে জানায়। সম্প্রতি গল্পে দেখানো হয়েছে, নতুনের কাছে ভোর তথা যাজ্ঞসেনীর ফোন আসে। সে জানায় যে সে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে। ফোনের মধ্যে কাঁদতে থাকে। তখন স্ত্রীকে ফেলে রেখে সেখানে যাওয়ার কথা বলে নতুন। জানায় সে এখনই আসছে, দরকার ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবে। ফোন রাখতেই যাজ্ঞসেনী ব্যঙ্গের হাসি হাসে। বোঝা যায় তার কোনও আঘাত লাগেনি বা পড়ে যায়নি। বরং সবটাই মিথ্যে নাটক স্বতন্ত্র ওরফে নতুনকে কাছে পাওয়ার জন্য।
এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, 'চিরসখা' ধারাবাহিকটি স্টার জলসার পর্দায় রোজ দেখা যায়। এটি প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে সম্প্রচারিত হয়। মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন অপরাজিতা ঘোষ দাস এবং সুদীপ মুখোপাধ্যায়।
